দেশের শিল্পকারখানায় চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির লক্ষণীয় উন্নতি হবে বলে ব্যবসায়ী নেতাদের তিনি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক যৌথ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। তিনি জানান, আলোচনার ফল অত্যন্ত ইতিবাচক এবং মঙ্গলবার থেকেই শিল্প খাত জ্বালানির দিক থেকে স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা যাচ্ছে। শিল্প বিকাশে বর্তমান সরকারের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি সরকারের এই অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ীদের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন সরকারের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, জ্বালানি সংকট টেকসইভাবে নিরসনের লক্ষ্যে সমুদ্রে ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রেগাসিফিকেশন ইউনিটের (এফএসআরইউ) সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের তৃতীয় এফএসআরইউ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি স্থলভাগে নতুন কূপ খনন এবং সৌর বিদ্যুৎ খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গত ১৬ বছরে জ্বালানি খাতে অনেক পুঞ্জীভূত সংকট তৈরি হয়েছে, যা রাতারাতি সমাধান করা চ্যালেঞ্জিং হলেও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে জ্বালানি খাতে সার্বভৌম ও স্বনির্ভর করে তোলা সম্ভব হবে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের শিল্পকারখানায় চলমান তীব্র জ্বালানি সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির লক্ষণীয় উন্নতি হবে বলে ব্যবসায়ী নেতাদের তিনি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক যৌথ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। তিনি জানান, আলোচনার ফল অত্যন্ত ইতিবাচক এবং মঙ্গলবার থেকেই শিল্প খাত জ্বালানির দিক থেকে স্বস্তিদায়ক অবস্থায় ফিরবে বলে আশা করা যাচ্ছে। শিল্প বিকাশে বর্তমান সরকারের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি সরকারের এই অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ীদের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন সরকারের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, জ্বালানি সংকট টেকসইভাবে নিরসনের লক্ষ্যে সমুদ্রে ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রেগাসিফিকেশন ইউনিটের (এফএসআরইউ) সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের তৃতীয় এফএসআরইউ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি স্থলভাগে নতুন কূপ খনন এবং সৌর বিদ্যুৎ খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গত ১৬ বছরে জ্বালানি খাতে অনেক পুঞ্জীভূত সংকট তৈরি হয়েছে, যা রাতারাতি সমাধান করা চ্যালেঞ্জিং হলেও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশকে জ্বালানি খাতে সার্বভৌম ও স্বনির্ভর করে তোলা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন