বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও মৌলিক সংকট নিরসনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং নতুন করে যুক্ত হওয়া দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধসহ মোট ৭ দফা দাবিতে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পথসভা শেষে রংপুরের জিলা স্কুল মাঠে গিয়ে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চটি শেষ হবে।
সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে এবং গণভোটে অর্জিত প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় উপেক্ষা করে সরকার গণতন্ত্রের ওপর চপেটাঘাত করেছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে একের পর এক ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ হওয়া এবং সারের সংকটে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার দায়ও সরকারের অদক্ষতার ওপর চাপান তিনি। তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে বলেও অভিযোগ করেন এই নেতা।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে ড. আযাদ বলেন, সরকার বিরোধী দলের কোনো গঠনমূলক পরামর্শ আমলে নিচ্ছে না। সংসদে সংকট সমাধানের সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে ১১ দলীয় ঐক্য রাজপথে নেমেছে। তিনি আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য সর্বস্তরের দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বর্তমান সরকার জনগণের অধিকার, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও মৌলিক সংকট নিরসনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে দাবি করে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রংপুর লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং নতুন করে যুক্ত হওয়া দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধসহ মোট ৭ দফা দাবিতে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পথসভা শেষে রংপুরের জিলা স্কুল মাঠে গিয়ে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চটি শেষ হবে।
সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে এবং গণভোটে অর্জিত প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায় উপেক্ষা করে সরকার গণতন্ত্রের ওপর চপেটাঘাত করেছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে একের পর এক ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ হওয়া এবং সারের সংকটে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার দায়ও সরকারের অদক্ষতার ওপর চাপান তিনি। তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে বলেও অভিযোগ করেন এই নেতা।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে ড. আযাদ বলেন, সরকার বিরোধী দলের কোনো গঠনমূলক পরামর্শ আমলে নিচ্ছে না। সংসদে সংকট সমাধানের সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়ে ১১ দলীয় ঐক্য রাজপথে নেমেছে। তিনি আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের ঢাকা-রংপুর লংমার্চ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য সর্বস্তরের দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন