নরসিংদীর মাধবদীতে মাত্র দুই মাস বয়সী এক অবুজ নবজাতকের পা মুচড়ে ভেঙে দেওয়ার মতো এক নৃশংস ও অমানবিক অভিযোগ উঠেছে আপন জ্যাঠাইমার (বড় চাচি) বিরুদ্ধে। পারিবারিক কলহের জেরে ঘটানো এই পৈশাচিক নির্যাতনের দৃশ্যটি ঘরে গোপনে চালু রাখা মোবাইল ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।
ভুক্তভোগী শিশুটি মাধবদী উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী গ্রামের জহিরুল হক ও সায়েবা বেগম দম্পতির সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে শিশুটি কোনো কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিকভাবে ও অনবরত কান্নাকাটি করছিল। এতে মায়ের মনে সন্দেহের দানা বাঁধে।
সন্দেহ দূর করতে গত কয়েকদিন আগে মা সায়েবা বেগম ঘরের একটি গোপন স্থানে নিজের মোবাইল ফোনের ভিডিও রেকর্ডার অন করে রেখে বাইরে যান। পরবর্তীতে ঘরে ফিরে ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করতেই তাঁর চোখ চড়কগাছ হয়ে যায় এবং তিনি স্তব্ধ হয়ে পড়েন।
রেকর্ড হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত জ্যাঠাইমা অত্যন্ত গোপনে ওই ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর সেখানে ঘুমিয়ে থাকা মাত্র দুই মাস বয়সী শিশুটির ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তিনি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও নির্মমভাবে ঘুমন্ত শিশুটির একটি পা ধরে মুচড়ে ভেঙে দেন।
আহত ও যন্ত্রণায় কাতর শিশুটিকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার পা ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে শিশুটির ভাঙা পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে এবং সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে ব্যথার তীব্রতায় অবুজ শিশুটি অনবরত ছটফট করছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত জ্যাঠাইমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিশুটির পরিবার মাধবদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী এই অমানবিক নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
নরসিংদীর মাধবদীতে মাত্র দুই মাস বয়সী এক অবুজ নবজাতকের পা মুচড়ে ভেঙে দেওয়ার মতো এক নৃশংস ও অমানবিক অভিযোগ উঠেছে আপন জ্যাঠাইমার (বড় চাচি) বিরুদ্ধে। পারিবারিক কলহের জেরে ঘটানো এই পৈশাচিক নির্যাতনের দৃশ্যটি ঘরে গোপনে চালু রাখা মোবাইল ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।
ভুক্তভোগী শিশুটি মাধবদী উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকারদী গ্রামের জহিরুল হক ও সায়েবা বেগম দম্পতির সন্তান। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে শিশুটি কোনো কারণ ছাড়াই অস্বাভাবিকভাবে ও অনবরত কান্নাকাটি করছিল। এতে মায়ের মনে সন্দেহের দানা বাঁধে।
সন্দেহ দূর করতে গত কয়েকদিন আগে মা সায়েবা বেগম ঘরের একটি গোপন স্থানে নিজের মোবাইল ফোনের ভিডিও রেকর্ডার অন করে রেখে বাইরে যান। পরবর্তীতে ঘরে ফিরে ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করতেই তাঁর চোখ চড়কগাছ হয়ে যায় এবং তিনি স্তব্ধ হয়ে পড়েন।
রেকর্ড হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত জ্যাঠাইমা অত্যন্ত গোপনে ওই ঘরে প্রবেশ করেন। এরপর সেখানে ঘুমিয়ে থাকা মাত্র দুই মাস বয়সী শিশুটির ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে তিনি অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ও নির্মমভাবে ঘুমন্ত শিশুটির একটি পা ধরে মুচড়ে ভেঙে দেন।
আহত ও যন্ত্রণায় কাতর শিশুটিকে দ্রুত স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার পা ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে শিশুটির ভাঙা পায়ে প্লাস্টার করা হয়েছে এবং সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে ব্যথার তীব্রতায় অবুজ শিশুটি অনবরত ছটফট করছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত জ্যাঠাইমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। শিশুটির পরিবার মাধবদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী এই অমানবিক নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন