মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের পূর্বরাখিরকান্দি এলাকায় পদ্মার তীব্র নদীভাঙনে চোখের পলকে বিলীন হয়ে গেছে একটি সুদৃশ্য মসজিদ। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ‘পূর্বরাখিরকান্দি আবু হানিফা জামে মসজিদে’ এশার নামাজ আদায় করেছিলেন স্থানীয় মুসুল্লিরা। তবে ফজরের আগেই তীব্র স্রোতের টানে পুরো মসজিদ ভবনটি নদীতে তলিয়ে যায়।
ভাঙনের তীব্র শব্দ পেয়ে পাশে থাকা মাদানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা দ্রুত ছুটে এসে কিছু মালামাল ও সিলিং ফ্যান সরাতে পারলেও পুরো অবকাঠামো রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দারা খোলা মাঠে সালাত আদায় করছেন। স্থানীয়রা জানান, কেবল মসজিদই নয়, গত কয়েক বছরে বহু বাড়িঘর ও স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। মাদানী কমপ্লেক্সের প্রায় পুরো জমি ও বড় একটি অংশও ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. খালেক সাইফুল জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে এই এলাকায় নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পদ্মায় পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত কয়েক দিন ধরে দেওয়ানকান্দি, রাখিরকান্দি ও পূর্বরাখিরকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকায় চরম ভাঙন দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নতুন করে বালুর বস্তা ও জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন এবং জেলা প্রশাসক নুর মহল আশরাফী। এ সময় তারা জিও ব্যাগ ফেলে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসক জানান, ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ মিটার এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত স্থায়ী সুরক্ষাপ্রাচীর নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার শিলই ইউনিয়নের পূর্বরাখিরকান্দি এলাকায় পদ্মার তীব্র নদীভাঙনে চোখের পলকে বিলীন হয়ে গেছে একটি সুদৃশ্য মসজিদ। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে ‘পূর্বরাখিরকান্দি আবু হানিফা জামে মসজিদে’ এশার নামাজ আদায় করেছিলেন স্থানীয় মুসুল্লিরা। তবে ফজরের আগেই তীব্র স্রোতের টানে পুরো মসজিদ ভবনটি নদীতে তলিয়ে যায়।
ভাঙনের তীব্র শব্দ পেয়ে পাশে থাকা মাদানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা দ্রুত ছুটে এসে কিছু মালামাল ও সিলিং ফ্যান সরাতে পারলেও পুরো অবকাঠামো রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে স্থানীয় বাসিন্দারা খোলা মাঠে সালাত আদায় করছেন। স্থানীয়রা জানান, কেবল মসজিদই নয়, গত কয়েক বছরে বহু বাড়িঘর ও স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। মাদানী কমপ্লেক্সের প্রায় পুরো জমি ও বড় একটি অংশও ইতিমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. খালেক সাইফুল জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে এই এলাকায় নদীভাঙন অব্যাহত রয়েছে।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পদ্মায় পানিপ্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত কয়েক দিন ধরে দেওয়ানকান্দি, রাখিরকান্দি ও পূর্বরাখিরকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকায় চরম ভাঙন দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নতুন করে বালুর বস্তা ও জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন এবং জেলা প্রশাসক নুর মহল আশরাফী। এ সময় তারা জিও ব্যাগ ফেলে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসক জানান, ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৪০০ মিটার এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত স্থায়ী সুরক্ষাপ্রাচীর নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন