খেলাধুলা আর রাজনীতিকে আলাদা রাখার বুলি ক্রীড়াবিশ্বে বহু পুরোনো। তবে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বাইশ গজের ক্রিকেট মাঠ যে কেবল রাজনৈতিক মারপ্যাঁচেরই আরেকটি মুক্তমঞ্চ, তার প্রমাণ মিলল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে। শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে টানা অষ্টম শিরোপা জিতলেও এসিসি সভাপতি ও পাকিস্তানি নেতা মহসিন নাকভির হাত থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারতীয় দল।
ক্রিকেট ময়দানে স্পোর্টসম্যানশিপের জায়গা কতটুকু আর সেখানে রাজনীতির প্রভাব কতটা ভারী—এ নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পেহেলগাম ঘটনা ও পরবর্তী উত্তেজনার পর নিজ দেশের জনমত ও রাজনৈতিক অবস্থানের কথা মাথায় রেখেই নাকভিকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সরকারের নীতি মেনে বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিলেও প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক নেতাদের সম্মান জানাতে দল বাধ্য নয় বলে মনে করে ভারতীয় বোর্ড।
এই ঘটনায় এসিসির প্রশাসনিক টানাপোড়েনও প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বিসিসিআই চেয়েছিল এসিসি সহ-সভাপতির হাত থেকে ট্রফি হস্তান্তরের মাধ্যমে একটি মধ্যপন্থা খুঁজে বের করতে, কিন্তু নাকভি সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত ট্রফি ছাড়াই শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠে ভারতের নারী ক্রিকেট দল। ভারতীয় বোর্ডের অবস্থান অনুযায়ী মাঠের খেলায় জয় নিশ্চিত করাই ছিল মূল কাজ। তবে ফাইনালের এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করল যে, জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব ক্রীড়ার জয় উদযাপনের মঞ্চকেও সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
খেলাধুলা আর রাজনীতিকে আলাদা রাখার বুলি ক্রীড়াবিশ্বে বহু পুরোনো। তবে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বাইশ গজের ক্রিকেট মাঠ যে কেবল রাজনৈতিক মারপ্যাঁচেরই আরেকটি মুক্তমঞ্চ, তার প্রমাণ মিলল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে। শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে টানা অষ্টম শিরোপা জিতলেও এসিসি সভাপতি ও পাকিস্তানি নেতা মহসিন নাকভির হাত থেকে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারতীয় দল।
ক্রিকেট ময়দানে স্পোর্টসম্যানশিপের জায়গা কতটুকু আর সেখানে রাজনীতির প্রভাব কতটা ভারী—এ নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, পেহেলগাম ঘটনা ও পরবর্তী উত্তেজনার পর নিজ দেশের জনমত ও রাজনৈতিক অবস্থানের কথা মাথায় রেখেই নাকভিকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। সরকারের নীতি মেনে বহুজাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিলেও প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক নেতাদের সম্মান জানাতে দল বাধ্য নয় বলে মনে করে ভারতীয় বোর্ড।
এই ঘটনায় এসিসির প্রশাসনিক টানাপোড়েনও প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বিসিসিআই চেয়েছিল এসিসি সহ-সভাপতির হাত থেকে ট্রফি হস্তান্তরের মাধ্যমে একটি মধ্যপন্থা খুঁজে বের করতে, কিন্তু নাকভি সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। শেষ পর্যন্ত ট্রফি ছাড়াই শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠে ভারতের নারী ক্রিকেট দল। ভারতীয় বোর্ডের অবস্থান অনুযায়ী মাঠের খেলায় জয় নিশ্চিত করাই ছিল মূল কাজ। তবে ফাইনালের এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করল যে, জাতীয় নিরাপত্তা ও ভূ-রাজনীতি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব ক্রীড়ার জয় উদযাপনের মঞ্চকেও সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে।

আপনার মতামত লিখুন