নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় পৃথক তিনটি গ্রামে হঠাৎ শিয়ালের উপদ্রব ও হামলায় নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১০ জন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার আটিয়াগাঁও এবং ডাঙ্গা ইউনিয়নের খিলপাড়া-কান্দাপাড়া ও কামতাল গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন—মো. সাইফুল্লাহ (৪০), হেলেনা বেগম (৪৫), হাফিজা বেগম (৬০), খালেক মিয়া (৪০), মো. আল আমিন (৪০), তাসলিমা বেগম (৪৮), আনোয়ারা বেগম (৪৫), শাহিদা বেগম (৪৩), আবদুস সাত্তার (৬৫) এবং সালেহা বেগম (৪৫)। তারা সবাই ঘোড়াশাল পৌরসভা ও ডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
আহত গ্রামবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে কেউ ফজরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাওয়ার পথে, আবার কেউ সকালে নিজ বাড়ির আঙিনায় বা কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় ঝোপঝাড় থেকে হঠাৎ শিয়াল বেরিয়ে এসে তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। পরপর সংঘটিত এই আক্রমণে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহত মো. আল আমিন বলেন, "ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি শিয়াল এসে আমার পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়। আশপাশের মানুষজন চিৎকার শুনে ছুটে এলে শিয়ালটি পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ও র্যাবিস ভ্যাকসিন নিয়েছি।"
এদিকে আটিয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এইচ এম কাউসার হোসেন জানান, ভোরে ওই গ্রামের খালেক মিয়াসহ দুই নারীকে একটি শিয়াল কামড় দিলে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে শিয়ালটিকে ধাওয়া করে একটি নালা বা গর্তে ফেলে মেরে ফেলে।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিপাশা মাসুক জানান, শিয়ালের কামড়ে আহত ১০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। হাসপাতালের র্যাবিস ভ্যাকসিন কেন্দ্র থেকে তাদের সবাইকে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী প্রতিষেধক (টিকা) দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা ও পরামর্শ শেষে তারা সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় পৃথক তিনটি গ্রামে হঠাৎ শিয়ালের উপদ্রব ও হামলায় নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১০ জন গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার আটিয়াগাঁও এবং ডাঙ্গা ইউনিয়নের খিলপাড়া-কান্দাপাড়া ও কামতাল গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন—মো. সাইফুল্লাহ (৪০), হেলেনা বেগম (৪৫), হাফিজা বেগম (৬০), খালেক মিয়া (৪০), মো. আল আমিন (৪০), তাসলিমা বেগম (৪৮), আনোয়ারা বেগম (৪৫), শাহিদা বেগম (৪৩), আবদুস সাত্তার (৬৫) এবং সালেহা বেগম (৪৫)। তারা সবাই ঘোড়াশাল পৌরসভা ও ডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
আহত গ্রামবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে কেউ ফজরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে যাওয়ার পথে, আবার কেউ সকালে নিজ বাড়ির আঙিনায় বা কৃষিকাজে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় ঝোপঝাড় থেকে হঠাৎ শিয়াল বেরিয়ে এসে তাদের ওপর আক্রমণ চালায়। পরপর সংঘটিত এই আক্রমণে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহত মো. আল আমিন বলেন, "ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি শিয়াল এসে আমার পায়ে কামড় বসিয়ে দেয়। আশপাশের মানুষজন চিৎকার শুনে ছুটে এলে শিয়ালটি পালিয়ে যায়। পরে হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা ও র্যাবিস ভ্যাকসিন নিয়েছি।"
এদিকে আটিয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এইচ এম কাউসার হোসেন জানান, ভোরে ওই গ্রামের খালেক মিয়াসহ দুই নারীকে একটি শিয়াল কামড় দিলে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে শিয়ালটিকে ধাওয়া করে একটি নালা বা গর্তে ফেলে মেরে ফেলে।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক বিপাশা মাসুক জানান, শিয়ালের কামড়ে আহত ১০ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। হাসপাতালের র্যাবিস ভ্যাকসিন কেন্দ্র থেকে তাদের সবাইকে প্রয়োজনীয় জলাতঙ্ক প্রতিরোধী প্রতিষেধক (টিকা) দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা ও পরামর্শ শেষে তারা সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।

আপনার মতামত লিখুন