রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে গত সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে কয়েক ধরনের চালের দাম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ট্রাকভাড়া বা পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং ধানের দাম বৃদ্ধিকে মূল কারণ হিসেবে অজুহাত দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে কাঁচা মরিচ ও টমেটোর মতো কিছু সবজি চড়া দামে বিক্রি হলেও বেশ কমেছে পেঁপের দাম। তবে ভোজ্যতেল, চিনি ও ডিমের বাজারে দর স্থিতিশীল রয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকার মালিবাগসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি মানের আটাশ চাল কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬৩ থেকে ৬৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬২ থেকে ৬৩ টাকা। সরু মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৭৫ টাকা এবং পাইজাম চালের দাম ৫৮ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকায় ঠেকেছে। তবে গুটি স্বর্ণাসহ অন্যান্য মোটা চালের দাম আগের মতোই কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।
বাজার ঘুরে চাল বিক্রেতারা জানান, পরিবহন খরচের ওপর জ্বালানি তেলের প্রভাব সরাসরি চালের খুচরা ও পাইকারি বাজারে পড়েছে। এতে চালের বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) দাম প্রায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
নিত্যপণ্যের বাজারের বর্তমান দরচিত্র:
চাল: আটাশ ৬৩–৬৫ টাকা, মিনিকেট ৭৫ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা, মোটা চাল ৫০–৫৫ টাকা কেজি।
সবজি: বেগুন ৭০–৮০ টাকা, শিম ১২০–১৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, পটোল ও ঢ্যাঁড়স ৫০–৬০ টাকা কেজি। ব্যতিক্রম হিসেবে পেঁপের দাম কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায় এবং কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা কেজিতে থিতু হয়েছে।
মাংস: ব্রয়লার মুরগি ১৮০–১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকা এবং গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ: রুই মাছ ২৮০–৩৫০ টাকা, কৈ ২৪০ টাকা, পাঙ্গাশ ২৩০ টাকা এবং পাবদা মাছ ৩৫০ টাকা কেজি।
সবজি বিক্রেতারা আশা প্রকাশ করছেন যে, বাজারে শীতকালীন নতুন ফসল ও শাকসবজির সরবরাহ পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সবজির চড়া দাম আরও কিছুটা কমে আসবে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে গত সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বেড়েছে কয়েক ধরনের চালের দাম। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ট্রাকভাড়া বা পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়া এবং ধানের দাম বৃদ্ধিকে মূল কারণ হিসেবে অজুহাত দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে কাঁচা মরিচ ও টমেটোর মতো কিছু সবজি চড়া দামে বিক্রি হলেও বেশ কমেছে পেঁপের দাম। তবে ভোজ্যতেল, চিনি ও ডিমের বাজারে দর স্থিতিশীল রয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকার মালিবাগসহ কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি মানের আটাশ চাল কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬৩ থেকে ৬৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬২ থেকে ৬৩ টাকা। সরু মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৭৫ টাকা এবং পাইজাম চালের দাম ৫৮ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকায় ঠেকেছে। তবে গুটি স্বর্ণাসহ অন্যান্য মোটা চালের দাম আগের মতোই কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যে স্থিতিশীল রয়েছে।
বাজার ঘুরে চাল বিক্রেতারা জানান, পরিবহন খরচের ওপর জ্বালানি তেলের প্রভাব সরাসরি চালের খুচরা ও পাইকারি বাজারে পড়েছে। এতে চালের বস্তাপ্রতি (৫০ কেজি) দাম প্রায় ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
নিত্যপণ্যের বাজারের বর্তমান দরচিত্র:
চাল: আটাশ ৬৩–৬৫ টাকা, মিনিকেট ৭৫ টাকা, পাইজাম ৬০ টাকা, মোটা চাল ৫০–৫৫ টাকা কেজি।
সবজি: বেগুন ৭০–৮০ টাকা, শিম ১২০–১৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, পটোল ও ঢ্যাঁড়স ৫০–৬০ টাকা কেজি। ব্যতিক্রম হিসেবে পেঁপের দাম কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায় এবং কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা কেজিতে থিতু হয়েছে।
মাংস: ব্রয়লার মুরগি ১৮০–১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকা এবং গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাছ: রুই মাছ ২৮০–৩৫০ টাকা, কৈ ২৪০ টাকা, পাঙ্গাশ ২৩০ টাকা এবং পাবদা মাছ ৩৫০ টাকা কেজি।
সবজি বিক্রেতারা আশা প্রকাশ করছেন যে, বাজারে শীতকালীন নতুন ফসল ও শাকসবজির সরবরাহ পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সবজির চড়া দাম আরও কিছুটা কমে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন