সারের ডিলারশিপ না পাওয়া এবং দলীয় মূল্যায়নে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিস্ফোরক পোস্ট দিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান ফেরদৌস সজীব। স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘সারের ডিলারশিপ না দেন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না দেন, বিষের ডিলারশিপ দেন। ত্যাগী কর্মীরা মরে যাক’।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে দেওয়া এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজারহাটের বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের নতুন সারের ডিলারশিপ না পাওয়ায় এই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ওই ছাত্রদল নেতা।
‘রায়হান ট্রেডার্স’-এর মালিক রায়হান ফেরদৌস সজীব দাবি করেন, বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপের জন্য সুপারিশ তালিকায় তাঁর নাম দ্বিতীয় স্থানে ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে হেরে গিয়ে ডিলারশিপ পান ‘মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্স’-এর মালিক মোস্তফা জামাল। সজীবের অভিযোগ, মোস্তফা জামাল ও তাঁর পরিবার মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল, অথচ তিনি নিজে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির জন্য জেল-জুলুম ও হামলা-মামলার শিকার হয়েও বঞ্চিত হলেন।
সজীব আরও বলেন, "আমি ২০১১ সালে ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ২০১৩ সালে উপজেলা ছাত্রদলের কোষাধ্যক্ষ এবং বর্তমানে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছি। আমি একজনেই রাজপথের লড়াই করা ‘জুলাইযোদ্ধা’। ১৭ বছর দল করে ত্যাগ স্বীকার করার পরও যদি ফ্যাসিস্টরা ডিলারশিপ পায়, তবে আমাদের মতো ত্যাগী কর্মীরা কোথায় যাবে?"
তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল বলেন, "এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি বা আমার পরিবারের কেউ কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।"
এদিকে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, মোস্তফা জামালের নামে ডিলারশিপ বরাদ্দ হলেও পেছনের কলকাঠি নাড়ছেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ। তবে হারুন উর রশীদ তা অস্বীকার করে জানান, তিনি কেবল মোস্তফা জামালের পক্ষে কিছুটা সহায়তামূলক কথা বলেছিলেন, ব্যবসা পরিচালনা করবেন মোস্তফা জামাল নিজেই।
ডিলারশিপ বরাদ্দের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় জানান, নিয়ম অনুযায়ী সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। ডিলারশিপ নিয়োগ কমিটিতে সবার সম্মিলিত সুপারিশ ও যাচাই-বাছাইয়ে যাঁকে সবচেয়ে যোগ্য মনে হয়েছে, তাঁর নামই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সারের ডিলারশিপ না পাওয়া এবং দলীয় মূল্যায়নে কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিস্ফোরক পোস্ট দিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান ফেরদৌস সজীব। স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘সারের ডিলারশিপ না দেন, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না দেন, বিষের ডিলারশিপ দেন। ত্যাগী কর্মীরা মরে যাক’।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে দেওয়া এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজারহাটের বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের নতুন সারের ডিলারশিপ না পাওয়ায় এই প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন ওই ছাত্রদল নেতা।
‘রায়হান ট্রেডার্স’-এর মালিক রায়হান ফেরদৌস সজীব দাবি করেন, বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপের জন্য সুপারিশ তালিকায় তাঁর নাম দ্বিতীয় স্থানে ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে হেরে গিয়ে ডিলারশিপ পান ‘মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্স’-এর মালিক মোস্তফা জামাল। সজীবের অভিযোগ, মোস্তফা জামাল ও তাঁর পরিবার মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল, অথচ তিনি নিজে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিএনপির জন্য জেল-জুলুম ও হামলা-মামলার শিকার হয়েও বঞ্চিত হলেন।
সজীব আরও বলেন, "আমি ২০১১ সালে ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ২০১৩ সালে উপজেলা ছাত্রদলের কোষাধ্যক্ষ এবং বর্তমানে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছি। আমি একজনেই রাজপথের লড়াই করা ‘জুলাইযোদ্ধা’। ১৭ বছর দল করে ত্যাগ স্বীকার করার পরও যদি ফ্যাসিস্টরা ডিলারশিপ পায়, তবে আমাদের মতো ত্যাগী কর্মীরা কোথায় যাবে?"
তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল বলেন, "এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি বা আমার পরিবারের কেউ কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।"
এদিকে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে, মোস্তফা জামালের নামে ডিলারশিপ বরাদ্দ হলেও পেছনের কলকাঠি নাড়ছেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ। তবে হারুন উর রশীদ তা অস্বীকার করে জানান, তিনি কেবল মোস্তফা জামালের পক্ষে কিছুটা সহায়তামূলক কথা বলেছিলেন, ব্যবসা পরিচালনা করবেন মোস্তফা জামাল নিজেই।
ডিলারশিপ বরাদ্দের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় জানান, নিয়ম অনুযায়ী সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল। ডিলারশিপ নিয়োগ কমিটিতে সবার সম্মিলিত সুপারিশ ও যাচাই-বাছাইয়ে যাঁকে সবচেয়ে যোগ্য মনে হয়েছে, তাঁর নামই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন