যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও উত্তেজনার নেতিবাচক খেসারত দিতে হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ইরাককে। দুই দেশের এই বৈরিতা ও সংঘাতের কারণে ইরাকের অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৬ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বিশাল আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হোসেন।
ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরাকি নিউজ এজেন্সি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক উত্তাপ সরাসরি ইরাকের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে পঙ্গু করে তুলছে। যুদ্ধের কারণে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি, বাণিজ্য বিঘ্নিত হওয়া এবং উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ফলে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
ইরাক সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই সংঘাত কেবল আঞ্চলিক বা ইরাককেন্দ্রিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর কারণে পুরো বিশ্বজুড়ে নতুন করে তীব্র জ্বালানি সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে বিশ্বজুড়ে পণ্যের মূল্যস্ফীতি আরও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে সতর্ক করেছেন ইরাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সূত্র: আল-জাজিরা / ইরাকি নিউজ এজেন্সি

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও উত্তেজনার নেতিবাচক খেসারত দিতে হচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ইরাককে। দুই দেশের এই বৈরিতা ও সংঘাতের কারণে ইরাকের অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার বা ৬ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বিশাল আর্থিক ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হোসেন।
ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরাকি নিউজ এজেন্সি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক উত্তাপ সরাসরি ইরাকের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে পঙ্গু করে তুলছে। যুদ্ধের কারণে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি, বাণিজ্য বিঘ্নিত হওয়া এবং উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ফলে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।
ইরাক সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই সংঘাত কেবল আঞ্চলিক বা ইরাককেন্দ্রিক ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর কারণে পুরো বিশ্বজুড়ে নতুন করে তীব্র জ্বালানি সংকট সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে বিশ্বজুড়ে পণ্যের মূল্যস্ফীতি আরও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে বলে সতর্ক করেছেন ইরাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সূত্র: আল-জাজিরা / ইরাকি নিউজ এজেন্সি

আপনার মতামত লিখুন