সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জিয়া পরিবারকে টার্গেট করে অশালীন ও নীতিবিবর্জিত বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম অনুসারী তথাকথিত ‘পাটওয়ারী-সিফাত গং’-এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি ছাত্রদল নেতাদের রাজপথে কার্যকর প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বিরোধী রাজনৈতিক শেল্টারে থাকা একটি চক্র ধারাবাহিকভাবে জিয়া পরিবার ও জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও মিথ্যাচার চালিয়ে আসছে, যা সুস্পষ্টভাবে ফৌজদারি অপরাধ (ক্রিমিনাল অফেন্স)। এ ধরনের শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্যের মুখে ছাত্রদলের দৃশ্যমান ও কঠোর প্রতিবাদ জানানো উচিত ছিল। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে এদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে অবিলম্বে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার নির্দেশ দেন তিনি।
ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৮৬ এবং ১৯৯৬ সালের ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক চক্রান্তে যুক্ত হওয়া দলগুলোর সাথে এদের বর্তমান কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে। আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে অতীতে যারা ১৭২ দিন হরতাল দিয়ে দেশ অচল করেছিল, তারাই আজ নতুন রূপ ধারণ করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "ওপারে বসে ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা আর এপারে একদফা আন্দোলনের নামে মাঠে নামার পাঁয়তারা—একই সূত্রের গাঁথুনি।"
বর্তমান সরকারের দায়িত্ব পালনের ছয় মাসে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে কোনো হয়রানি বা মামলা না দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি রাজনৈতিক অতীত ও শিষ্টাচার বিবেচনা করে নেতাদের বক্তব্য প্রদান করার পরামর্শ দেন।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জিয়া পরিবারকে টার্গেট করে অশালীন ও নীতিবিবর্জিত বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম অনুসারী তথাকথিত ‘পাটওয়ারী-সিফাত গং’-এর বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি ছাত্রদল নেতাদের রাজপথে কার্যকর প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বিরোধী রাজনৈতিক শেল্টারে থাকা একটি চক্র ধারাবাহিকভাবে জিয়া পরিবার ও জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার ও মিথ্যাচার চালিয়ে আসছে, যা সুস্পষ্টভাবে ফৌজদারি অপরাধ (ক্রিমিনাল অফেন্স)। এ ধরনের শিষ্টাচারবহির্ভূত বক্তব্যের মুখে ছাত্রদলের দৃশ্যমান ও কঠোর প্রতিবাদ জানানো উচিত ছিল। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে এদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে অবিলম্বে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার নির্দেশ দেন তিনি।
ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৮৬ এবং ১৯৯৬ সালের ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক চক্রান্তে যুক্ত হওয়া দলগুলোর সাথে এদের বর্তমান কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে। আওয়ামী লীগের সাথে আঁতাত করে অতীতে যারা ১৭২ দিন হরতাল দিয়ে দেশ অচল করেছিল, তারাই আজ নতুন রূপ ধারণ করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "ওপারে বসে ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা আর এপারে একদফা আন্দোলনের নামে মাঠে নামার পাঁয়তারা—একই সূত্রের গাঁথুনি।"
বর্তমান সরকারের দায়িত্ব পালনের ছয় মাসে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে কোনো হয়রানি বা মামলা না দেওয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি রাজনৈতিক অতীত ও শিষ্টাচার বিবেচনা করে নেতাদের বক্তব্য প্রদান করার পরামর্শ দেন।

আপনার মতামত লিখুন