দিকপাল

হেমন্তের প্রকৃতি ও কৃষকদের সোনালি ধানের ব্যস্ততা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ | ১০:৪৫ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

হেমন্তের প্রকৃতি ও কৃষকদের সোনালি ধানের ব্যস্ততা

হেমন্তের সকালে হালকা কুয়াশার চাদর ভেদ করে উঁকি দিচ্ছে লাল সূর্য। শিশিরভেজা ঘাস আর মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহে মানিকগঞ্জের প্রকৃতিতে এখন বইছে উৎসবের আমেজ। ভোর থেকে হালকা শীতের অনুভূতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৬) জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আমন ও আউশ ধানের পাকা শিষে সোনালি হয়ে উঠেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। ভোরের কুয়াশা ও শিশিরে প্রকৃতিতে তৈরি হয়েছে অন্যরকম আবহ। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে হালকা শীত। মাঠে মাঠে পাকা ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। ভালো ফলনের প্রত্যাশা আর নতুন ধান ঘরে তোলার আনন্দে এখন তাদের চোখে-মুখে হাসির ঝিলিক।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মানিকগঞ্জের উপপরিচালক শাহজাহান সিরাজ জানান, জেলায় ১৫ হাজার ৮৮৯ হেক্টর জমিতে ভাওয়াইলা, দীঘা ও ডাপো জাতের আমন, ১৮ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে কালো মানিকসহ বিভিন্ন জাতের আউশ এবং ৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রুপা জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। বাম্পার ফলনের কারণে নতুন ধান ঘরে তোলার পাশাপাশি এই ধান দিয়েই হেমন্তের পিঠাপুলির উৎসবে মাতবেন জেলার কৃষকেরা।


সূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রতিনিধি

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


হেমন্তের প্রকৃতি ও কৃষকদের সোনালি ধানের ব্যস্ততা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

হেমন্তের সকালে হালকা কুয়াশার চাদর ভেদ করে উঁকি দিচ্ছে লাল সূর্য। শিশিরভেজা ঘাস আর মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহে মানিকগঞ্জের প্রকৃতিতে এখন বইছে উৎসবের আমেজ। ভোর থেকে হালকা শীতের অনুভূতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর ২০২৬) জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আমন ও আউশ ধানের পাকা শিষে সোনালি হয়ে উঠেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। ভোরের কুয়াশা ও শিশিরে প্রকৃতিতে তৈরি হয়েছে অন্যরকম আবহ। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে হালকা শীত। মাঠে মাঠে পাকা ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। ভালো ফলনের প্রত্যাশা আর নতুন ধান ঘরে তোলার আনন্দে এখন তাদের চোখে-মুখে হাসির ঝিলিক।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মানিকগঞ্জের উপপরিচালক শাহজাহান সিরাজ জানান, জেলায় ১৫ হাজার ৮৮৯ হেক্টর জমিতে ভাওয়াইলা, দীঘা ও ডাপো জাতের আমন, ১৮ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে কালো মানিকসহ বিভিন্ন জাতের আউশ এবং ৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রুপা জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। বাম্পার ফলনের কারণে নতুন ধান ঘরে তোলার পাশাপাশি এই ধান দিয়েই হেমন্তের পিঠাপুলির উৎসবে মাতবেন জেলার কৃষকেরা।


সূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রতিনিধি


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল