আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা এবং দায়ীদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে ঘটনার মূল নেপথ্যকারীদের মুখ উন্মোচন করার দাবি জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বগুড়ার সাতমাথায় আয়োজিত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির সমাবেশে সংগঠনটির মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল জাবের এ দাবি জানান।
সমাবেশে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া সুবিধাবাদীরা বিপ্লবের সন্তানদের অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা করছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান নতুন করে কাউকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য হয়নি। বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের ১০ মাস পার হলেও বিচার নিশ্চিত কিংবা খুনিদের ফিরিয়ে আনতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ১৪০০ শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সরকার যদি জুলাই অভ্যুত্থানকে অস্বীকার করে, তবে তার পরিণতি শুভ হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
শনিবার বেলা ১১টায় মোকামতলা থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে দুপুর সাড়ে ১২টায় মহাস্থানবাজার, দুপুর আড়াইটায় মাটিডালি বিমান মোড় এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বগুড়ার সাতমাথায় সমাবেশগুলো অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৭টায় বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে প্রতিবাদী গান পরিবেশনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষিত হয়।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
আগামী ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা এবং দায়ীদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে ঘটনার মূল নেপথ্যকারীদের মুখ উন্মোচন করার দাবি জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বগুড়ার সাতমাথায় আয়োজিত ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির সমাবেশে সংগঠনটির মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল জাবের এ দাবি জানান।
সমাবেশে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তৈরি হওয়া সুবিধাবাদীরা বিপ্লবের সন্তানদের অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা করছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান নতুন করে কাউকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য হয়নি। বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের ১০ মাস পার হলেও বিচার নিশ্চিত কিংবা খুনিদের ফিরিয়ে আনতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ১৪০০ শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সরকার যদি জুলাই অভ্যুত্থানকে অস্বীকার করে, তবে তার পরিণতি শুভ হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
শনিবার বেলা ১১টায় মোকামতলা থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে দুপুর সাড়ে ১২টায় মহাস্থানবাজার, দুপুর আড়াইটায় মাটিডালি বিমান মোড় এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বগুড়ার সাতমাথায় সমাবেশগুলো অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৭টায় বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে প্রতিবাদী গান পরিবেশনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন