কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রী এলাকার আশিকুলের পরিবারের ফারিয়া কবির (৩৩), মালিহা (২৮), লাইলা জাহান নাবিলা (২৪), নাফিস ইবতে হামিদ (২৪), মিথিলা মেহজাবিন (২৩) ও পাঁচ বছরের শিশু ফাইজান—এই ৬ জন রয়েছেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস আরও একজন পুরুষ, দুজন নারী ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মান্নান (৩৪), সামিদা (৩২), সাহাবুদ্দিন (৩১), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও নাফিজা নওয়ার খান (২৯) আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের টুপটুপ রিসোর্টটিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ও বিজিবি ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উখিয়া ইউএনও পান্না আক্তার ও ওসি আতিকুর রহমান জানান, ২৭ জন পর্যটকের মধ্যে ৯ জন বাইরে ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সবাই পালিয়ে যান।
সূত্র: ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ঢাকার বনশ্রী এলাকার আশিকুলের পরিবারের ফারিয়া কবির (৩৩), মালিহা (২৮), লাইলা জাহান নাবিলা (২৪), নাফিস ইবতে হামিদ (২৪), মিথিলা মেহজাবিন (২৩) ও পাঁচ বছরের শিশু ফাইজান—এই ৬ জন রয়েছেন। পরবর্তীতে ফায়ার সার্ভিস আরও একজন পুরুষ, দুজন নারী ও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মান্নান (৩৪), সামিদা (৩২), সাহাবুদ্দিন (৩১), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও নাফিজা নওয়ার খান (২৯) আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে মেরিন ড্রাইভ সড়কের টুপটুপ রিসোর্টটিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ও বিজিবি ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। রান্নাঘরের চুল্লি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উখিয়া ইউএনও পান্না আক্তার ও ওসি আতিকুর রহমান জানান, ২৭ জন পর্যটকের মধ্যে ৯ জন বাইরে ছিলেন। দুর্ঘটনার পরপরই রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের সবাই পালিয়ে যান।
সূত্র: ফায়ার সার্ভিস, বিজিবি ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসন

আপনার মতামত লিখুন