বিশ্বকাপের উত্তাপ কাটার পর এখন ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত সম্মাননা ‘ব্যালন ডি’অর’ জয়ের লড়াই জমে উঠেছে। গত মৌসুমের ক্লাব পারফরম্যান্স ও বিশ্বকাপের ট্রফি লড়াইয়ের সমীকরণে এবার ব্যালন ডি’অরের ট্রফি জয়ে মূলত স্পেন ও বায়ার্ন মিউনিখের তিন তারকা—রদ্রি, লামিন ইয়ামাল ও হ্যারি কেইনের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে।
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের প্রধান কারিগর রদ্রি ম্যানচেস্টার সিটিতে ইনজুরিতে ভুগলেও জাতীয় দলের হয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের ‘গোল্ডেন বল’ জিতেছেন এবং সর্বকালের সর্বোচ্চ পাসের রেকর্ড গড়ে দৌড়ে সবচেয়ে সামনে রয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁরই জাতীয় দল সতীর্থ লামিন ইয়ামাল বার্সেলোনাকে লা লিগা জেতানোর পথে ১৬ গোল ও ১২ অ্যাসিস্ট করে লিগ সেরা হওয়ার পাশাপাশি স্পেনের বিশ্বকাপ জয়েও বড় অবদান রেখে শক্ত দাবিদার হয়ে উঠেছেন।
পরিসংখ্যানের বিচারে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। তিনি ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৬৫ ম্যাচে রেকর্ড ৭৩ গোল করে জিতেছেন বুন্দেসলিগা, ডিএফবি পোকাল ও ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু। এছাড়া ইংল্যান্ডকে ৬০ বছরের মধ্যে সেরা সাফল্য এনে দিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলতে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর।
অন্য তারকাদের মধ্যে ফ্রান্সকে শিরোপা মেলাতে না পারলেও ১০ গোল নিয়ে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট ও বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়া কিলিয়ান এমবাপ্পে পিচিচি ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সর্বোচ্চ গোলদাতার ট্রফি জিতে দৌড়ে রয়েছেন। এছাড়া ইন্টার মিয়ামির হয়ে এমএলএস কাপ ও বিশ্বকাপে সিলভার বল জয়ী ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি, পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী উসমান ডেম্বেলে এবং প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্লিং হাল্যান্ডও সংক্ষিপ্ত আলোচনায় রয়েছেন। তবে ট্রফি ও ব্যক্তিগত রেকর্ডের বিচারে লড়াইটা রদ্রি, ইয়ামাল ও কেইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে।

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্বকাপের উত্তাপ কাটার পর এখন ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত সম্মাননা ‘ব্যালন ডি’অর’ জয়ের লড়াই জমে উঠেছে। গত মৌসুমের ক্লাব পারফরম্যান্স ও বিশ্বকাপের ট্রফি লড়াইয়ের সমীকরণে এবার ব্যালন ডি’অরের ট্রফি জয়ে মূলত স্পেন ও বায়ার্ন মিউনিখের তিন তারকা—রদ্রি, লামিন ইয়ামাল ও হ্যারি কেইনের মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে উঠেছে।
স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের প্রধান কারিগর রদ্রি ম্যানচেস্টার সিটিতে ইনজুরিতে ভুগলেও জাতীয় দলের হয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের ‘গোল্ডেন বল’ জিতেছেন এবং সর্বকালের সর্বোচ্চ পাসের রেকর্ড গড়ে দৌড়ে সবচেয়ে সামনে রয়েছেন। অন্যদিকে, তাঁরই জাতীয় দল সতীর্থ লামিন ইয়ামাল বার্সেলোনাকে লা লিগা জেতানোর পথে ১৬ গোল ও ১২ অ্যাসিস্ট করে লিগ সেরা হওয়ার পাশাপাশি স্পেনের বিশ্বকাপ জয়েও বড় অবদান রেখে শক্ত দাবিদার হয়ে উঠেছেন।
পরিসংখ্যানের বিচারে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। তিনি ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৬৫ ম্যাচে রেকর্ড ৭৩ গোল করে জিতেছেন বুন্দেসলিগা, ডিএফবি পোকাল ও ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু। এছাড়া ইংল্যান্ডকে ৬০ বছরের মধ্যে সেরা সাফল্য এনে দিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলতে মূল ভূমিকা ছিল তাঁর।
অন্য তারকাদের মধ্যে ফ্রান্সকে শিরোপা মেলাতে না পারলেও ১০ গোল নিয়ে বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট ও বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়া কিলিয়ান এমবাপ্পে পিচিচি ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সর্বোচ্চ গোলদাতার ট্রফি জিতে দৌড়ে রয়েছেন। এছাড়া ইন্টার মিয়ামির হয়ে এমএলএস কাপ ও বিশ্বকাপে সিলভার বল জয়ী ৩৯ বছর বয়সী লিওনেল মেসি, পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগজয়ী উসমান ডেম্বেলে এবং প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা আর্লিং হাল্যান্ডও সংক্ষিপ্ত আলোচনায় রয়েছেন। তবে ট্রফি ও ব্যক্তিগত রেকর্ডের বিচারে লড়াইটা রদ্রি, ইয়ামাল ও কেইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে।

আপনার মতামত লিখুন