জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল বহুল আলোচিত এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই বিচারক ছিলেন মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয় আসামি হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
প্রসিকিউশনের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে ‘দেখামাত্র গুলি’র নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে গণহত্যা সংগঠিত করেছিলেন। ২০২৫ সালের ১৮ জুন শুরু হওয়া এ মামলার তদন্ত শেষে প্রসিকিউশন ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং ১২৩টি অডিও-ভিডিও নথি ও ডকুমেন্টস প্রদর্শন করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ ট্রাইব্যুনাল ঐতিহাসিক এই রায় প্রদান করলেন।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল বহুল আলোচিত এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই বিচারক ছিলেন মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর ছয় আসামি হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির সবাই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
প্রসিকিউশনের দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে ‘দেখামাত্র গুলি’র নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে গণহত্যা সংগঠিত করেছিলেন। ২০২৫ সালের ১৮ জুন শুরু হওয়া এ মামলার তদন্ত শেষে প্রসিকিউশন ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং ১২৩টি অডিও-ভিডিও নথি ও ডকুমেন্টস প্রদর্শন করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ ট্রাইব্যুনাল ঐতিহাসিক এই রায় প্রদান করলেন।

আপনার মতামত লিখুন