২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে স্বাগতিক দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লাকজা প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, ক্যাসাব্লাঙ্কার কাছে নির্মাণাধীন ১ লাখ ১৫ হাজার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ‘গ্র্যান্ড স্টাদ হাসান-২’ স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। তবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, চূড়ান্ত ভেন্যুর বিষয়ে উপযুক্ত সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল যৌথভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। গত গ্রীষ্মে ২০২৬ বিশ্বকাপ স্পেন জেতার পর থেকেই দেশটির ফুটবল কর্তারা দাবি করে আসছেন, ইউরোপীয় আয়োজন ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফাইনাল ম্যাচটি স্পেশাল ভেন্যু রিয়াল মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু কিংবা নতুন রূপের ক্যাম্প ন্যুতে হওয়া উচিত। বিপরীতে মরক্কোসহ আরব দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর। তবে ফিফার এক মুখপাত্র ইএফই সংবাদ সংস্থাকে স্পষ্ট করেছেন, ফাইনাল ভেন্যু নিয়ে কোনো আগাম আশ্বাস দেওয়া হয়নি এবং পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত সঠিক সময়েই জানানো হবে।
শতবর্ষী এই বিশ্বকাপের তিন দেশের যৌথ আয়োজনের পাশাপাশি প্রথম তিনটি উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। ফাইনালের ভেন্যু কেন্দ্র করে ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার সীমান্ত এবং কূটনৈতিক ইস্যুতে নতুন টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে, যা সামলাতে কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাটি।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে স্বাগতিক দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। মরক্কো ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফৌজি লাকজা প্রকাশ্যে দাবি করেছেন, ক্যাসাব্লাঙ্কার কাছে নির্মাণাধীন ১ লাখ ১৫ হাজার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ‘গ্র্যান্ড স্টাদ হাসান-২’ স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। তবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফিফা জানিয়েছে, চূড়ান্ত ভেন্যুর বিষয়ে উপযুক্ত সময়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল যৌথভাবে ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। গত গ্রীষ্মে ২০২৬ বিশ্বকাপ স্পেন জেতার পর থেকেই দেশটির ফুটবল কর্তারা দাবি করে আসছেন, ইউরোপীয় আয়োজন ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে ফাইনাল ম্যাচটি স্পেশাল ভেন্যু রিয়াল মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু কিংবা নতুন রূপের ক্যাম্প ন্যুতে হওয়া উচিত। বিপরীতে মরক্কোসহ আরব দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর। তবে ফিফার এক মুখপাত্র ইএফই সংবাদ সংস্থাকে স্পষ্ট করেছেন, ফাইনাল ভেন্যু নিয়ে কোনো আগাম আশ্বাস দেওয়া হয়নি এবং পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত সঠিক সময়েই জানানো হবে।
শতবর্ষী এই বিশ্বকাপের তিন দেশের যৌথ আয়োজনের পাশাপাশি প্রথম তিনটি উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। ফাইনালের ভেন্যু কেন্দ্র করে ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার সীমান্ত এবং কূটনৈতিক ইস্যুতে নতুন টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে, যা সামলাতে কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থাটি।

আপনার মতামত লিখুন