পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক শুভবার্তায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনকে মানবজাতির জন্য অপার রহমত ও মুক্তির আলোকবর্তিকা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পবিত্র এই দিনটি উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি এই শুভেচ্ছা বাণী প্রদান করেন।
রিজভী বলেন, মহানবী (সা.)-এর শুভ আবির্ভাব বিশ্বের বুকে সততা, ন্যায়বিচার, অসাম্প্রদায়িক মানবতা ও সহমর্মিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কৈশোরকাল থেকেই তিনি ‘আল-আমীন’ বা পরম বিশ্বস্ত হিসেবে মিথ্যার বিরুদ্ধে অকুতোভয় অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁর ওপর অবতীর্ণ মহাগ্রন্থ আল-কোরআন সমগ্র মানবজাতির জন্য ইহলৌকিক শান্তি ও পরলৌকিক মুক্তির সার্বজনীন জীবনবিধান।
বিএনপির এই প্রবীণ নেতা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে সমাজে শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করা এবং নীতি-নৈতিকতার চর্চা ফিরিয়ে আনতে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও কালজয়ী আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। নবীজির মহান জীবনের প্রতিটি শিক্ষা ও মূল্যবোধকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধারণ করার জন্য তিনি সর্বস্তরের তাওহিদি জনতার প্রতি আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক শুভবার্তায় বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমনকে মানবজাতির জন্য অপার রহমত ও মুক্তির আলোকবর্তিকা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) পবিত্র এই দিনটি উদযাপন উপলক্ষে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে তিনি এই শুভেচ্ছা বাণী প্রদান করেন।
রিজভী বলেন, মহানবী (সা.)-এর শুভ আবির্ভাব বিশ্বের বুকে সততা, ন্যায়বিচার, অসাম্প্রদায়িক মানবতা ও সহমর্মিতার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। কৈশোরকাল থেকেই তিনি ‘আল-আমীন’ বা পরম বিশ্বস্ত হিসেবে মিথ্যার বিরুদ্ধে অকুতোভয় অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁর ওপর অবতীর্ণ মহাগ্রন্থ আল-কোরআন সমগ্র মানবজাতির জন্য ইহলৌকিক শান্তি ও পরলৌকিক মুক্তির সার্বজনীন জীবনবিধান।
বিএনপির এই প্রবীণ নেতা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে সমাজে শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করা এবং নীতি-নৈতিকতার চর্চা ফিরিয়ে আনতে মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও কালজয়ী আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। নবীজির মহান জীবনের প্রতিটি শিক্ষা ও মূল্যবোধকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধারণ করার জন্য তিনি সর্বস্তরের তাওহিদি জনতার প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন