সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি গঠিত ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা জোট ‘মক্কা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার জন্য ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লেবানিজ সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিনের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এলেও, ইরান বা জোটভুক্ত তিন দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আমন্ত্রণের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
ইরানি পার্লামেন্টের ‘খানে মিল্লাত’ সংবাদ সংস্থার প্রধান মেহেদী রহিমি সংবাদমাধ্যমটিকে জানান, তেহরান জোটভুক্ত হওয়ার প্রস্তাব সম্বলিত একটি নিমন্ত্রণপত্র পেয়েছে এবং বিষয়টি নীতিগতভাবে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন যে একক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকিছে, তা দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরা ইরানের জন্য এক ধরনের রাজনৈতিক সাফল্য।
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যে এই ঐতিহাসিক সামরিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। ন্যাটোর ধারা-৫ এর আদলে তৈরি এই যৌথ প্রতিরক্ষা নীতি অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে বাকি দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এই জোটে বাংলাদেশের ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করার পর তেহরানের যুক্ত হওয়ার খবরটি বিশ্ব রাজনীতির গতিপথ ও মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণ আমূল বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে সম্প্রতি গঠিত ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা জোট ‘মক্কা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেওয়ার জন্য ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লেবানিজ সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিনের বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এলেও, ইরান বা জোটভুক্ত তিন দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই আমন্ত্রণের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।
ইরানি পার্লামেন্টের ‘খানে মিল্লাত’ সংবাদ সংস্থার প্রধান মেহেদী রহিমি সংবাদমাধ্যমটিকে জানান, তেহরান জোটভুক্ত হওয়ার প্রস্তাব সম্বলিত একটি নিমন্ত্রণপত্র পেয়েছে এবং বিষয়টি নীতিগতভাবে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখন যে একক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকিছে, তা দীর্ঘদিনের দাবি তুলে ধরা ইরানের জন্য এক ধরনের রাজনৈতিক সাফল্য।
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তায়েপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মধ্যে এই ঐতিহাসিক সামরিক চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। ন্যাটোর ধারা-৫ এর আদলে তৈরি এই যৌথ প্রতিরক্ষা নীতি অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণকে বাকি দুই দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এই জোটে বাংলাদেশের ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করার পর তেহরানের যুক্ত হওয়ার খবরটি বিশ্ব রাজনীতির গতিপথ ও মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণ আমূল বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন