অবশেষে কয়েক মাসের নেতৃত্বশূন্যতার অবসান ঘটিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিশন গঠন করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে গঠিত এই নতুন কমিশনে সদস্য (কমিশনার) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট ২০২৬) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৬(১) ধারায় প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আইনানুযায়ী, দুদক চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতির সমপরিমাণ এবং দুই কমিশনার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সমপরিমাণ বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ তৎকালীন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার পদত্যাগ করার পর থেকে শীর্ষ পদে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে ২২ জুন একটি সার্চ (বাছাই) কমিটি গঠন করা হয়, যাদের সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি এই নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ দেন।
স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত এই সংস্থায় নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ায় অচল হয়ে পড়া দীর্ঘদিনের দুর্নীতি তদন্ত কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং দুদকের নিরপেক্ষতা বজায় রাখাটাই নতুন নেতৃত্বের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
অবশেষে কয়েক মাসের নেতৃত্বশূন্যতার অবসান ঘটিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিশন গঠন করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করে গঠিত এই নতুন কমিশনে সদস্য (কমিশনার) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাহাঙ্গীর আলম ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
গতকাল সোমবার (১৭ আগস্ট ২০২৬) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৬(১) ধারায় প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আইনানুযায়ী, দুদক চেয়ারম্যান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন বিচারপতির সমপরিমাণ এবং দুই কমিশনার হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সমপরিমাণ বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ মার্চ তৎকালীন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার পদত্যাগ করার পর থেকে শীর্ষ পদে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে ২২ জুন একটি সার্চ (বাছাই) কমিটি গঠন করা হয়, যাদের সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি এই নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ দেন।
স্বাধীন ও স্বায়ত্তশাসিত এই সংস্থায় নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ায় অচল হয়ে পড়া দীর্ঘদিনের দুর্নীতি তদন্ত কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং দুদকের নিরপেক্ষতা বজায় রাখাটাই নতুন নেতৃত্বের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন