দিকপাল

রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর, আজও ফেরেনি একজনও


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬ | ১০:৫৪ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর, আজও ফেরেনি একজনও

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা সরকারের ভয়াবহ দমন-পীড়ন, গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে আশ্রয়ের ৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। দীর্ঘ এই প্রায় এক দশকেও একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারেনি বাংলাদেশ। কবে নাগাদ এই প্রত্যাবাসন শুরু সম্ভব হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট রূপরেখা মেলেনি।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে শুরু হওয়া জাতিগত নিধনের মুখে কয়েক দিনের মধ্যেই ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বর্তমানে নতুন জন্ম নেওয়া শিশু ও নতুন আসা আশ্রয়প্রার্থী মিলিয়ে এই সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ৯ বছরে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে মিয়ানমার ৪ লাখের বেশি ব্যক্তির তথ্য যাচাই-বাছাই করলেও সম্মানজনক ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কার্যকর কোনো অগ্রগতির দেখা মেলেনি।

বর্তমান আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও অর্থায়নের বিশ্বব্যাপী সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ সংকট সমাধানে চীনের ওপরই প্রধান নির্ভরতা রাখছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরেও বেইজিং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শীর্ষ যোগাযোগের ফলে ঢাকা-বেইজিং-নেপিদো ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগে অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের সভাপতির দায়িত্ব পালন এবং চীন ও আসিয়ান (ASEAN)-এর কার্যকর মধ্যস্থতাই কেবল এই সংকট সমাধানের সুনির্দিষ্ট পথ খুলে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর, আজও ফেরেনি একজনও

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা সরকারের ভয়াবহ দমন-পীড়ন, গণহত্যা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গার বাংলাদেশে আশ্রয়ের ৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। দীর্ঘ এই প্রায় এক দশকেও একজন রোহিঙ্গাকেও নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে পারেনি বাংলাদেশ। কবে নাগাদ এই প্রত্যাবাসন শুরু সম্ভব হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট রূপরেখা মেলেনি।

২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনে শুরু হওয়া জাতিগত নিধনের মুখে কয়েক দিনের মধ্যেই ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বর্তমানে নতুন জন্ম নেওয়া শিশু ও নতুন আসা আশ্রয়প্রার্থী মিলিয়ে এই সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ৯ বছরে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে মিয়ানমার ৪ লাখের বেশি ব্যক্তির তথ্য যাচাই-বাছাই করলেও সম্মানজনক ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কার্যকর কোনো অগ্রগতির দেখা মেলেনি।

বর্তমান আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও অর্থায়নের বিশ্বব্যাপী সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ সংকট সমাধানে চীনের ওপরই প্রধান নির্ভরতা রাখছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরেও বেইজিং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারত্ব এবং শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শীর্ষ যোগাযোগের ফলে ঢাকা-বেইজিং-নেপিদো ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগে অগ্রগতির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের সভাপতির দায়িত্ব পালন এবং চীন ও আসিয়ান (ASEAN)-এর কার্যকর মধ্যস্থতাই কেবল এই সংকট সমাধানের সুনির্দিষ্ট পথ খুলে দিতে পারে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল