একসময় যেখানে সরকারি নানা আনুষ্ঠানিক কিংবা 'অদ্ভুত' সব সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হতো, ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সেই স্থানটিই এখন রূপ নিয়েছে ইতিহাসের পাঠশালায়। সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও প্রখ্যাত নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের’ অন্তর্গত ‘মুনসুন থিয়েটার’-এর অতীত ও বর্তমান অবস্থার দুটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে এমন অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কক্ষটির দুটি ছবি প্রকাশ করে পরিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরেন ফারুকী। তিনি লেখেন, গণঅভ্যুত্থানের পর কক্ষজুড়ে জনতার ক্ষোভ ও ইতিহাসের ছাপ ফুটে উঠেছিল। সেই স্থানকেই সংস্কার ও রূপান্তর করে গড়ে তোলা হয়েছে ‘মুনসুন থিয়েটার’, যেখানে প্রতিদিন নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থী ও নতুন প্রজন্মের সামনে বিগত ১৬ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস ও গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হচ্ছে।
ফারুকী আরও জানান, নির্ধারিত বিশেষ দিনগুলোর বাইরেও প্রতিদিন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন এই মুনসুন থিয়েটারে। শিক্ষার্থীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও ইতিহাস জানার আগ্রহকে অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ী হিসেবে বর্ণনা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই সংস্কৃতি উপদেষ্টা, যার সরাসরি তত্ত্বাবধানে গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের মূল ভিত্তিস্থাপন ও কাজের সূচনা হয়েছিল।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
একসময় যেখানে সরকারি নানা আনুষ্ঠানিক কিংবা 'অদ্ভুত' সব সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হতো, ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সেই স্থানটিই এখন রূপ নিয়েছে ইতিহাসের পাঠশালায়। সাবেক সংস্কৃতি উপদেষ্টা ও প্রখ্যাত নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের’ অন্তর্গত ‘মুনসুন থিয়েটার’-এর অতীত ও বর্তমান অবস্থার দুটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে এমন অনুভূতি প্রকাশ করেছেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কক্ষটির দুটি ছবি প্রকাশ করে পরিবর্তনের ইতিহাস তুলে ধরেন ফারুকী। তিনি লেখেন, গণঅভ্যুত্থানের পর কক্ষজুড়ে জনতার ক্ষোভ ও ইতিহাসের ছাপ ফুটে উঠেছিল। সেই স্থানকেই সংস্কার ও রূপান্তর করে গড়ে তোলা হয়েছে ‘মুনসুন থিয়েটার’, যেখানে প্রতিদিন নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থী ও নতুন প্রজন্মের সামনে বিগত ১৬ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস ও গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হচ্ছে।
ফারুকী আরও জানান, নির্ধারিত বিশেষ দিনগুলোর বাইরেও প্রতিদিন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন এই মুনসুন থিয়েটারে। শিক্ষার্থীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও ইতিহাস জানার আগ্রহকে অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ী হিসেবে বর্ণনা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই সংস্কৃতি উপদেষ্টা, যার সরাসরি তত্ত্বাবধানে গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণের মূল ভিত্তিস্থাপন ও কাজের সূচনা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন