পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি কয়লা খনি দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ৮ জন শ্রমিক। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) প্রদেশের দুটি ভিন্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার অদূরে সোরাঞ্জ নামের এক দুর্গম এলাকার কয়লা খনিতে। খনির মালিক কুরবান জোগেজাই জানান, জমে থাকা বিষাক্ত মিথেন গ্যাস থেকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় খনির ভেতরে মোট ৪২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন, যাদের সবাই উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার শাংলা জেলা থেকে এসেছিলেন।
বিস্ফোরণের পর পরই বেলুচিস্তান সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। শুক্রবার উদ্ধারকারী দলের এক সদস্য জানান, নিখোঁজ সব শ্রমিকের দেহ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
অন্যদিকে একই দিনে বেলুচিস্তানের হারনাই জেলার আরেকটি কয়লা খনিতে একটি বিশাল পাথরের চাঁই ধসে পড়ে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অভাব থাকায় পাকিস্তান ও বেলুচিস্তানের কয়লা খনিগুলোতে হরহামেশাই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে থাকে বলে স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
পাকিস্তানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি কয়লা খনি দুর্ঘটনায় অন্তত ৩৪ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ৮ জন শ্রমিক। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই ২০২৬) প্রদেশের দুটি ভিন্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার অদূরে সোরাঞ্জ নামের এক দুর্গম এলাকার কয়লা খনিতে। খনির মালিক কুরবান জোগেজাই জানান, জমে থাকা বিষাক্ত মিথেন গ্যাস থেকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় খনির ভেতরে মোট ৪২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন, যাদের সবাই উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার শাংলা জেলা থেকে এসেছিলেন।
বিস্ফোরণের পর পরই বেলুচিস্তান সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (পিডিএমএ) উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। শুক্রবার উদ্ধারকারী দলের এক সদস্য জানান, নিখোঁজ সব শ্রমিকের দেহ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ঘটনায় বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী সরফরাজ বুগতি বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
অন্যদিকে একই দিনে বেলুচিস্তানের হারনাই জেলার আরেকটি কয়লা খনিতে একটি বিশাল পাথরের চাঁই ধসে পড়ে আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অভাব থাকায় পাকিস্তান ও বেলুচিস্তানের কয়লা খনিগুলোতে হরহামেশাই এমন প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে থাকে বলে স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন