চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় মাছের ঘের ও লবণ মাঠের দখল কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলিতে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সরল বেড়িবাঁধ এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরল ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে মনছুর গ্রুপ ও কবির গ্রুপের মধ্যে মাছের ঘের এবং লবণ মাঠের আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত মধ্যরাতে উভয় পক্ষ দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলার একপর্যায়ে জিল্লুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল এবং আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় মাছের ঘের ও লবণ মাঠের দখল কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের ছোড়া গুলিতে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার (৩১ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সরল বেড়িবাঁধ এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরল ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে মনছুর গ্রুপ ও কবির গ্রুপের মধ্যে মাছের ঘের এবং লবণ মাঠের আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে গত মধ্যরাতে উভয় পক্ষ দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলার একপর্যায়ে জিল্লুর রহমান গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল এবং আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন