দিকপাল

বেনাপোলে আমদানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ | ০৬:৪১ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

বেনাপোলে আমদানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা
ছবি: সংগৃহীত

কারপাস (গেটপাস) ইস্যু নিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নতুন নির্দেশনার প্রতিবাদে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) সকাল থেকে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন কারপাস ইস্যু করা বন্ধ রাখায় এই স্থবিরতার সৃষ্টি হয়। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ও বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, এতদিন সিঅ্যান্ডএফ কর্মীরা ভারত থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকের কারপাস ইস্যু করলেও ট্রাকে থাকা কোনো অবৈধ মালামালের দায়ভার গ্রহণ করতেন না। তবে সম্প্রতি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে—সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কর্মীদের পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে ট্রাক গ্রহণ করতে হবে এবং ভেতরে কোনো অবৈধ পণ্য পাওয়া গেলে তার দায়ভারও বহন করতে হবে। এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক দাবি করে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধিরা জানান, দায়মুক্তির সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা কারপাস ইস্যু করবেন না।

বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া মন্তব্য করেন যে, ভারতীয় রপ্তানিকারক বা পরিবহন ব্যবস্থার কারণে যদি পথে অবৈধ মালামাল যুক্ত হয়, তার দায় বাংলাদেশের সিঅ্যান্ডএফ কর্মী বা এজেন্টের ওপর চাপানো একেবারেই অনুচিত। কাস্টমসের এই সিদ্ধান্তের কারণেই মূলত আমদানি বাণিজ্য অচল হয়ে পড়েছে।

এদিকে বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, আমদানিতে অচলাবস্থা তৈরি হলেও বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি এবং বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


বেনাপোলে আমদানি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

কারপাস (গেটপাস) ইস্যু নিয়ে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নতুন নির্দেশনার প্রতিবাদে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে সব ধরনের পণ্য আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (২৫ জুলাই ২০২৬) সকাল থেকে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন কারপাস ইস্যু করা বন্ধ রাখায় এই স্থবিরতার সৃষ্টি হয়। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ও বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, এতদিন সিঅ্যান্ডএফ কর্মীরা ভারত থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকের কারপাস ইস্যু করলেও ট্রাকে থাকা কোনো অবৈধ মালামালের দায়ভার গ্রহণ করতেন না। তবে সম্প্রতি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে—সংশ্লিষ্ট সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের কর্মীদের পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে ট্রাক গ্রহণ করতে হবে এবং ভেতরে কোনো অবৈধ পণ্য পাওয়া গেলে তার দায়ভারও বহন করতে হবে। এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক দাবি করে সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধিরা জানান, দায়মুক্তির সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত তারা কারপাস ইস্যু করবেন না।

বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া মন্তব্য করেন যে, ভারতীয় রপ্তানিকারক বা পরিবহন ব্যবস্থার কারণে যদি পথে অবৈধ মালামাল যুক্ত হয়, তার দায় বাংলাদেশের সিঅ্যান্ডএফ কর্মী বা এজেন্টের ওপর চাপানো একেবারেই অনুচিত। কাস্টমসের এই সিদ্ধান্তের কারণেই মূলত আমদানি বাণিজ্য অচল হয়ে পড়েছে।

এদিকে বন্দর পরিচালক শামীম হোসেন জানান, আমদানিতে অচলাবস্থা তৈরি হলেও বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি এবং বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল