রাজধানীর আদাবরে একটি সালিশ বৈঠক শেষে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় আদাবর থানার ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার বাদশা নিহত হয়েছেন। একই হামলায় নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পূর্ব শত্রুতা ও সালিশের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষের জেরে প্রতিপক্ষ এই হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবরের নবোদয় কাঁচাবাজার হাউজিং চার রাস্তার মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। একটি স্থানীয় বিরোধের সালিশ বৈঠক শেষ করে বাশার ও সাদ্দাম একসঙ্গে ফিরছিলেন। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বাশারের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাশারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাদ্দাম বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুদিন আগে স্থানীয় যুবকদের মধ্যে খেলাধুলা নিয়ে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। সেই বিরোধের জেরে বুধবার রাতে উভয় পক্ষ নিজেরাই একটি সালিশ বৈঠকে বসে। কিন্তু সালিশের সিদ্ধান্ত প্রতিপক্ষের মনঃপূত না হওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতের ভাই সবুজ জানান, মো. আবুল বাশার বাদশা পেশায় একজন ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন। জীবিকার পাশাপাশি তিনি আদাবর থানার ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। তিনি মূলত একটি খেলার মাঠের বিরোধ মীমাংসা করতেই ওই সালিশে অংশ নিয়েছিলেন।
নিহত আবুল বাশারের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গফুরের বাড়িতে। তিনি পরিবার নিয়ে আদাবরের বি-ব্লকের ১ নম্বর রোডের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর আদাবরে একটি সালিশ বৈঠক শেষে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় আদাবর থানার ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার বাদশা নিহত হয়েছেন। একই হামলায় নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পূর্ব শত্রুতা ও সালিশের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষের জেরে প্রতিপক্ষ এই হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবরের নবোদয় কাঁচাবাজার হাউজিং চার রাস্তার মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। একটি স্থানীয় বিরোধের সালিশ বৈঠক শেষ করে বাশার ও সাদ্দাম একসঙ্গে ফিরছিলেন। এ সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।
গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বাশারের শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেক) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাশারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সাদ্দাম বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুদিন আগে স্থানীয় যুবকদের মধ্যে খেলাধুলা নিয়ে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। সেই বিরোধের জেরে বুধবার রাতে উভয় পক্ষ নিজেরাই একটি সালিশ বৈঠকে বসে। কিন্তু সালিশের সিদ্ধান্ত প্রতিপক্ষের মনঃপূত না হওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে এই হামলা চালায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতের ভাই সবুজ জানান, মো. আবুল বাশার বাদশা পেশায় একজন ব্যক্তিগত গাড়িচালক ছিলেন। জীবিকার পাশাপাশি তিনি আদাবর থানার ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। তিনি মূলত একটি খেলার মাঠের বিরোধ মীমাংসা করতেই ওই সালিশে অংশ নিয়েছিলেন।
নিহত আবুল বাশারের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গফুরের বাড়িতে। তিনি পরিবার নিয়ে আদাবরের বি-ব্লকের ১ নম্বর রোডের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন