নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কেবল সরকারের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল না থেকে সাধারণ জনগণকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান. আজ বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সমস্যা সমাধান সংক্রান্ত এক বিশেষ অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মহানগরের পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো প্রধান প্রধান নাগরিক সমস্যাগুলোর পেছনে অনেকাংশেই নাগরিকদের নিজেদের অসচেতনতা দায়ী থাকে. বিশেষ করে, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও গৃহস্থালি বর্জ্য ড্রেনে ফেলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সবার প্রতি জোরালো আহ্বান জানান. তিনি মনে করেন, যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার এই সংস্কৃতি বন্ধ না হলে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা এবং জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব নয়।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান জানান, বিদ্যমান বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে. তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো জাতীয় বা সামাজিক সংকট দূরীকরণে সরকার, বিরোধী দল এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই দ্রুততম সময়ে সমাধান বের করা সম্ভব।
এছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে জোরদার ও টেকসই করতে পুলিশ বাহিনীকে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি. একই সাথে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে পরিবার থেকেই সন্তানদের দৈনন্দিন চলাফেরা, সামাজিক যোগাযোগ এবং বন্ধুবান্ধব বা সঙ্গ সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ পরামর্শ দেন জামায়াত আমির।
বর্ষা মৌসুমের শুরুতে রাজধানীসহ দেশজুড়ে ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতার প্রকোপ যখন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পায়, তখন জামায়াত আমিরের এই জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ও বক্তব্য অত্যন্ত সময়োপযোগী। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যেমন রাষ্ট্রের দায়িত্ব, ঠিক তেমনি ঘরের চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখা, যত্রতত্র প্লাস্টিক বা ময়লা না ফেলা এবং এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরিতে বাধা দেওয়া নাগরিকদের অন্যতম প্রধান নাগরিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক দলগুলোর কেবল প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে এমন জনকল্যাণমূলক ও সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং সুশীল সমাজ গঠনে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কেবল সরকারের ওপর এককভাবে নির্ভরশীল না থেকে সাধারণ জনগণকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান. আজ বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সমস্যা সমাধান সংক্রান্ত এক বিশেষ অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মহানগরের পানি, গ্যাস ও জলাবদ্ধতার মতো প্রধান প্রধান নাগরিক সমস্যাগুলোর পেছনে অনেকাংশেই নাগরিকদের নিজেদের অসচেতনতা দায়ী থাকে. বিশেষ করে, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ও গৃহস্থালি বর্জ্য ড্রেনে ফেলে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সবার প্রতি জোরালো আহ্বান জানান. তিনি মনে করেন, যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার এই সংস্কৃতি বন্ধ না হলে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস করা এবং জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব নয়।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান জানান, বিদ্যমান বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে. তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো জাতীয় বা সামাজিক সংকট দূরীকরণে সরকার, বিরোধী দল এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমেই দ্রুততম সময়ে সমাধান বের করা সম্ভব।
এছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামগ্রিকভাবে জোরদার ও টেকসই করতে পুলিশ বাহিনীকে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি. একই সাথে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় রোধে পরিবার থেকেই সন্তানদের দৈনন্দিন চলাফেরা, সামাজিক যোগাযোগ এবং বন্ধুবান্ধব বা সঙ্গ সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ পরামর্শ দেন জামায়াত আমির।
বর্ষা মৌসুমের শুরুতে রাজধানীসহ দেশজুড়ে ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতার প্রকোপ যখন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পায়, তখন জামায়াত আমিরের এই জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি ও বক্তব্য অত্যন্ত সময়োপযোগী। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যেমন রাষ্ট্রের দায়িত্ব, ঠিক তেমনি ঘরের চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখা, যত্রতত্র প্লাস্টিক বা ময়লা না ফেলা এবং এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরিতে বাধা দেওয়া নাগরিকদের অন্যতম প্রধান নাগরিক দায়িত্ব। রাজনৈতিক দলগুলোর কেবল প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে এমন জনকল্যাণমূলক ও সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষায় এবং সুশীল সমাজ গঠনে অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন