ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা। আগামীকাল (২ জুলাই) ইরানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। বুধবার (১ জুলাই) তিনি নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার আয়োজন বারবার পেছানো হয়েছিল। এর আগে এপ্রিল মাসে তার স্মরণে একটি সংক্ষিপ্ত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলেও তা পূর্ণাঙ্গ জানাজা ছিল না।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে যৌথ হামলা চালায়। ওই হামলার শুরুতেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ প্রাণ হারান ৮৬ বছর বয়সী আলী খামেনি। নিহত হওয়ার আগে তিনি দীর্ঘ ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ৪ থেকে ৮ জুলাইয়ের মধ্যে তেহরান, কোম ও মাশহাদে আলী খামেনির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এছাড়া ইরাকের বাগদাদ, কাজমিন, কারবালা ও নাজাফ শহরেও আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছেন মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা। আগামীকাল (২ জুলাই) ইরানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়বেন তিনি। বুধবার (১ জুলাই) তিনি নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজার আয়োজন বারবার পেছানো হয়েছিল। এর আগে এপ্রিল মাসে তার স্মরণে একটি সংক্ষিপ্ত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হলেও তা পূর্ণাঙ্গ জানাজা ছিল না।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে যৌথ হামলা চালায়। ওই হামলার শুরুতেই পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ প্রাণ হারান ৮৬ বছর বয়সী আলী খামেনি। নিহত হওয়ার আগে তিনি দীর্ঘ ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ৪ থেকে ৮ জুলাইয়ের মধ্যে তেহরান, কোম ও মাশহাদে আলী খামেনির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠান আয়োজনে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে। এছাড়া ইরাকের বাগদাদ, কাজমিন, কারবালা ও নাজাফ শহরেও আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন