দিকপাল

গুজরাটে আবারও ভাঙা হলো তিন মসজিদ, ছিল না আগাম নোটিশ


মোঃ রফিকুল ইসলাম
মোঃ রফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬ | ০৯:২৩ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

গুজরাটে আবারও ভাঙা হলো তিন মসজিদ, ছিল না আগাম নোটিশ

ভারতের গুজরাট রাজ্যের কুচ জেলায় আগাম নোটিশ ছাড়াই তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এই অভিযানের পর ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান গ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানে মোট ৩০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক ভবন এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা। তুর্কি গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড প্রকাশিত এক ভিডিওতেও মসজিদ ভেঙে ফেলার বিষয়টি দেখা যায়।

ঘটনার পর জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল কুচ জেলা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জমিয়তের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাসেমী। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তারা সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি।

ভেঙে ফেলা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক জুনা কান্দলা মসজিদ। মসজিদের খাদেম জানান, হঠাৎ করেই সেখানে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের আটক করার হুমকি দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৬৫ সাল থেকেই জুনা কান্দলা মসজিদটি ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধিত ছিল। এর নান্দনিক নির্মাণশৈলীর কারণে এটি এলাকায় পরিচিত একটি ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হতো। মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেন, উচ্ছেদের সময় তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার এবং মসজিদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সেখানে যেতে দেয়নি। বরং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


গুজরাটে আবারও ভাঙা হলো তিন মসজিদ, ছিল না আগাম নোটিশ

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

ভারতের গুজরাট রাজ্যের কুচ জেলায় আগাম নোটিশ ছাড়াই তিনটি মসজিদ ও কয়েকটি মাজারসহ মোট ৩০টি স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের এই অভিযানের পর ঘটনাটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির মুসলমানদের সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান গ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্ছেদ অভিযানে মোট ৩০টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১টি ধর্মীয় স্থাপনা, ১৭টি বাণিজ্যিক ভবন এবং দুটি আবাসিক স্থাপনা। তুর্কি গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড প্রকাশিত এক ভিডিওতেও মসজিদ ভেঙে ফেলার বিষয়টি দেখা যায়।

ঘটনার পর জমিয়তে ওলামায়ে হিন্দের একটি প্রতিনিধি দল কুচ জেলা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন জমিয়তের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা হাকিমুদ্দিন কাসেমী। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের পূর্ব নোটিশ ছাড়াই মসজিদগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তারা সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি।

ভেঙে ফেলা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক জুনা কান্দলা মসজিদ। মসজিদের খাদেম জানান, হঠাৎ করেই সেখানে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি দাবি করেন, বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের আটক করার হুমকি দেওয়া হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৬৫ সাল থেকেই জুনা কান্দলা মসজিদটি ওয়াকফ হিসেবে নিবন্ধিত ছিল। এর নান্দনিক নির্মাণশৈলীর কারণে এটি এলাকায় পরিচিত একটি ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে বিবেচিত হতো। মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সামার বলেন, উচ্ছেদের সময় তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার এবং মসজিদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের সেখানে যেতে দেয়নি। বরং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল