বর্তমান সরকারকে ‘সুস্পষ্টভাবে ভুল পথ’ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করতে পারে এমন কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির সঙ্গে চুক্তি বরদাস্ত করবে না দেশের জনগণ ও যুবসমাজ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, অন্যায়ের প্রতিবাদ ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার এই রাজনৈতিক লড়াইয়ে জামায়াতে ইসলামী আপসহীনভাবে রাজপথে থাকবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সরকারের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে, মেধার মূল্যায়ন না করে দলীয় ব্যক্তিদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও পিএসসিতে বিতর্কিত পরিবর্তন আনা হচ্ছে এবং র্যাব বিলুপ্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাম বদলে কেবল ‘এসআরবি’ করে লোগো ও পোশাক অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, রাষ্ট্রের আমূল সংস্কার বাদ দিয়ে শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি জনগণের অধিকার রক্ষায় জামায়াতের ৭ দফা দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
বিরোধীদলীয় এই নেতা আরও বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হলেও তারা কখনো একক কৃতিত্ব দাবি করেনি। জনগণের প্রকৃত গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এবং রাষ্ট্রে সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় তারা আমৃত্যু লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
বর্তমান সরকারকে ‘সুস্পষ্টভাবে ভুল পথ’ থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করতে পারে এমন কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির সঙ্গে চুক্তি বরদাস্ত করবে না দেশের জনগণ ও যুবসমাজ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, অন্যায়ের প্রতিবাদ ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার এই রাজনৈতিক লড়াইয়ে জামায়াতে ইসলামী আপসহীনভাবে রাজপথে থাকবে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সরকারের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করে অভিযোগ করেন যে, মেধার মূল্যায়ন না করে দলীয় ব্যক্তিদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হচ্ছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও পিএসসিতে বিতর্কিত পরিবর্তন আনা হচ্ছে এবং র্যাব বিলুপ্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাম বদলে কেবল ‘এসআরবি’ করে লোগো ও পোশাক অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, রাষ্ট্রের আমূল সংস্কার বাদ দিয়ে শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান সংশোধনের চেষ্টা চলছে উল্লেখ করে তিনি জনগণের অধিকার রক্ষায় জামায়াতের ৭ দফা দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
বিরোধীদলীয় এই নেতা আরও বলেন, বিগত ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে জামায়াতে ইসলামী সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হলেও তারা কখনো একক কৃতিত্ব দাবি করেনি। জনগণের প্রকৃত গণআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে এবং রাষ্ট্রে সুশাসন ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় তারা আমৃত্যু লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন