কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাশিয়া থেকে আমদানীকৃত ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এসে পৌঁছেছে। গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতুর পরিবর্তে সম্পূর্ণ নতুন ও বিকল্প রুট ব্যবহার করে এই চালানটি প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় পারমাণবিক জ্বালানিবাহী তিনটি লরি প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া ও পাকশীর লালন শাহ সেতু হয়ে রূপপুর প্রকল্পে পৌঁছানোর এই রুটটি এর আগে ব্যবহার করা হয়নি। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের মধ্য দিয়ে পুরো পথ অতিক্রম করে বহরটি। রূপপুর প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ কে. বি. এম. রুহুল কুদ্দুস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত একটি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ৪টিসহ মোট ৫টি চালান সফলভাবে প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছাল। এদিকে প্রথম ইউনিটের ‘পাওয়ার স্টার্টআপ স্টেজ-সি’ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি নভেম্বর মাসের শেষ নাগাদ কিংবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাশিয়া থেকে আমদানীকৃত ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এসে পৌঁছেছে। গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ও সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতুর পরিবর্তে সম্পূর্ণ নতুন ও বিকল্প রুট ব্যবহার করে এই চালানটি প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হয়।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় পারমাণবিক জ্বালানিবাহী তিনটি লরি প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, রাজবাড়ী, কুষ্টিয়া ও পাকশীর লালন শাহ সেতু হয়ে রূপপুর প্রকল্পে পৌঁছানোর এই রুটটি এর আগে ব্যবহার করা হয়নি। সেনাবাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের মধ্য দিয়ে পুরো পথ অতিক্রম করে বহরটি। রূপপুর প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ কে. বি. এম. রুহুল কুদ্দুস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের জন্য অতিরিক্ত একটি এবং দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য ৪টিসহ মোট ৫টি চালান সফলভাবে প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছাল। এদিকে প্রথম ইউনিটের ‘পাওয়ার স্টার্টআপ স্টেজ-সি’ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি নভেম্বর মাসের শেষ নাগাদ কিংবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন