যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়ের পর ইরান নীতি নিয়ে নতুন এক কঠিন সমীকরণের মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানো, তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো—নাকি নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ অব্যাহত রাখা; এই তিনটি পথ এখন ট্রাম্পের টেবিলে রয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ রিপাবলিকানদের নির্বাচনী পরাজয়ে ভূমিকা রেখেছে বলে ট্রাম্প স্বীকার করলেও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী অংশ নতুন করে সামরিক অভিযান না চালিয়ে কূটনৈতিক সমঝোতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের মতো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামরিক পদক্ষেপের বদলে কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে এর পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তুতিও চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি খসড়া চুক্তি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল এবং ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী কৌশল আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়ের পর ইরান নীতি নিয়ে নতুন এক কঠিন সমীকরণের মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালানো, তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো—নাকি নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ অব্যাহত রাখা; এই তিনটি পথ এখন ট্রাম্পের টেবিলে রয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধ রিপাবলিকানদের নির্বাচনী পরাজয়ে ভূমিকা রেখেছে বলে ট্রাম্প স্বীকার করলেও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী অংশ নতুন করে সামরিক অভিযান না চালিয়ে কূটনৈতিক সমঝোতার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের মতো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সামরিক পদক্ষেপের বদলে কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে এর পাশাপাশি মার্কিন সামরিক বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তুতিও চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি খসড়া চুক্তি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া যাবে না। মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল এবং ট্রাম্পের এই দ্বিমুখী কৌশল আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন