দিকপাল

১০ বছরে ১.৭২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব, এখন ৫ হাজার কোটি ভর্তুকি চায় বিপিসি


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:১০ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

১০ বছরে ১.৭২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব, এখন ৫ হাজার কোটি ভর্তুকি চায় বিপিসি

জ্বালানি তেল আমদানির ওপর চড়া শুল্ক-কর এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বিপুল পরিচালন মুনাফার ফলে গত ১০ বছরে সরকারের কোষাগারে আয় হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। তবে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় তীব্র আর্থিক সংকটে পড়ে বর্তমানে উল্টো সরকারের কাছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দাবি করছে সংস্থাটি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ও বিপিসির নিরীক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে শুল্ক-কর বাবদ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পেয়েছে সরকার। এছাড়া ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বিপিসির নিট মুনাফা ছিল ৫৩ হাজার ১৩২ কোটি টাকা, যার প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকাই সরকারি কোষাগারে জমা নেওয়া হয়। বর্তমানে চালানের খরচ ও কর মিলিয়ে প্রতি লিটার ডিজেলের প্রকৃত ব্যয় দাঁড়ায় ২০৫ টাকা। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি লিটারপ্রতি দাম বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হলেও প্রতি লিটারে এখনও প্রায় ৭০ টাকা ঘাটতি থাকছে এবং আটকে থাকা প্রায় ৪০টি ঋণপত্রের অর্থের বন্দোবস্ত করতে বিপুল নগদ অর্থের সংকট তৈরি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম জানিয়েছেন, পাচার রোধ, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিপিসির আর্থিক ঘাটতি সামাল দিতেই এই মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য ছিল। তবে নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মন্তব্য করেছেন, বিপিসির অর্জিত মুনাফা বিপদের সময় কাজে লাগিয়ে অথবা শুল্ক-কর ছাড় দিয়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপের মাত্রা অনেকটাই কমানো সম্ভব ছিল।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১০ বছরে ১.৭২ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব, এখন ৫ হাজার কোটি ভর্তুকি চায় বিপিসি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জ্বালানি তেল আমদানির ওপর চড়া শুল্ক-কর এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বিপুল পরিচালন মুনাফার ফলে গত ১০ বছরে সরকারের কোষাগারে আয় হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। তবে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় তীব্র আর্থিক সংকটে পড়ে বর্তমানে উল্টো সরকারের কাছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দাবি করছে সংস্থাটি।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ও বিপিসির নিরীক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে শুল্ক-কর বাবদ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পেয়েছে সরকার। এছাড়া ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বিপিসির নিট মুনাফা ছিল ৫৩ হাজার ১৩২ কোটি টাকা, যার প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকাই সরকারি কোষাগারে জমা নেওয়া হয়। বর্তমানে চালানের খরচ ও কর মিলিয়ে প্রতি লিটার ডিজেলের প্রকৃত ব্যয় দাঁড়ায় ২০৫ টাকা। বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি লিটারপ্রতি দাম বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হলেও প্রতি লিটারে এখনও প্রায় ৭০ টাকা ঘাটতি থাকছে এবং আটকে থাকা প্রায় ৪০টি ঋণপত্রের অর্থের বন্দোবস্ত করতে বিপুল নগদ অর্থের সংকট তৈরি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম জানিয়েছেন, পাচার রোধ, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বিপিসির আর্থিক ঘাটতি সামাল দিতেই এই মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্য ছিল। তবে নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মন্তব্য করেছেন, বিপিসির অর্জিত মুনাফা বিপদের সময় কাজে লাগিয়ে অথবা শুল্ক-কর ছাড় দিয়ে সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপের মাত্রা অনেকটাই কমানো সম্ভব ছিল।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল