জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সামরিক ও রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভাষণদানকালে তিনি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে জানান, চলমান সংঘাত নিরসনে পরমাণু বা নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মত না হলে তিনি 'ইসলামিক রিপাবলিক ইরানকে নিশ্চিহ্ন' করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
প্রায় সাড়ে সাত মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ এবং পারমাণবিক ইস্যু তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, "আমার সামনে এখন একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। আমি কি ইরানের সাথে এমন এক চুক্তিতে পৌঁছাব যা তাদের পুনর্গঠিত হয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে, নাকি দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ইসলামিক রিপাবলিককে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেব—যাতে তারা আর কখনও আঞ্চলিক বা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে না পারে?"
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপের কারণেই তেহরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের (Midterm Elections) পরপরই হয়তো তেহরানের সাথে একটি শান্তি চুক্তি হতে পারে, কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে চুক্তি না করা তাদের জন্য আত্মঘাতী হবে। ভাষণ চলাকালে জাতিসংঘে উপস্থিত ইরানি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে প্রতিবাদ জানান।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন সামরিক ও রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভাষণদানকালে তিনি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে জানান, চলমান সংঘাত নিরসনে পরমাণু বা নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরে সম্মত না হলে তিনি 'ইসলামিক রিপাবলিক ইরানকে নিশ্চিহ্ন' করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
প্রায় সাড়ে সাত মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ এবং পারমাণবিক ইস্যু তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, "আমার সামনে এখন একটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। আমি কি ইরানের সাথে এমন এক চুক্তিতে পৌঁছাব যা তাদের পুনর্গঠিত হয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে, নাকি দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ইসলামিক রিপাবলিককে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেব—যাতে তারা আর কখনও আঞ্চলিক বা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে না পারে?"
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর সামরিক পদক্ষেপের কারণেই তেহরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের (Midterm Elections) পরপরই হয়তো তেহরানের সাথে একটি শান্তি চুক্তি হতে পারে, কারণ বর্তমান পরিস্থিতিতে চুক্তি না করা তাদের জন্য আত্মঘাতী হবে। ভাষণ চলাকালে জাতিসংঘে উপস্থিত ইরানি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে প্রতিবাদ জানান।

আপনার মতামত লিখুন