কয়েক মাস আগেও যাকে ‘আমার ছোট কমিউনিস্ট’ ও ‘পুরোপুরি পাগল’ বলে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন, সেই নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির মুখে এখন ভূয়সী প্রশংসা শুনলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ম্যানহাটনে আয়োজিত এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ট্রাম্প ও মামদানি মুখোমুখি হন। দীর্ঘ এক ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রাজনৈতিক মতপার্থক্য আড়ালে রেখে নিউইয়র্ক নগরীর নিরাপত্তা, অভিবাসন আইন এবং প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলারের একটি আবাসন প্রকল্প নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প মেয়র মামদানির সূচনাকে ইতিবাচক অভিহিত করে বলেন, "আশা করি, আপনি একজন দারুণ মেয়র হবেন। আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি, আপনি একজন অসাধারণ মেয়র হতে যাচ্ছেন এবং আপনার শুরুটাও হয়েছে খুব ভালোভাবে।" অথচ নিউইয়র্কের গত মেয়র নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর ৩৪ বছর বয়সী এই নবীন ডেমোক্র্যাট নেতার চরম সমালোচনা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুপক্ষের কৌশলী ও কিছুটা উষ্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত মিলেছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফররত ট্রাম্পের সাথে বৈঠক শেষে মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, শহরের উন্নতির প্রতি রাষ্ট্রপতির প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানান তাঁরা। তিনি জানান, নগরবাসীকে নিরাপদ রাখার কৌশল এবং নগরীতে ১২ হাজার নতুন বসতি তৈরির একটি মেগা আবাসন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যার বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ফারেডারেল সরকারের ২১ বিলিয়ন ডলারের অনুদান প্রয়োজন।
রাজনৈতিকাদর্শের বিপুল ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও নিউইয়র্কের সার্বিক স্বার্থে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে ইতিবাচক সমঝোতা ও সহাবস্থান বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মামদানি। অন্যদিকে, ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনা বা অভ্যন্তরীণ বিষয় গোপন করতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কয়েক মাস আগেও যাকে ‘আমার ছোট কমিউনিস্ট’ ও ‘পুরোপুরি পাগল’ বলে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন, সেই নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির মুখে এখন ভূয়সী প্রশংসা শুনলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ম্যানহাটনে আয়োজিত এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ট্রাম্প ও মামদানি মুখোমুখি হন। দীর্ঘ এক ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে রাজনৈতিক মতপার্থক্য আড়ালে রেখে নিউইয়র্ক নগরীর নিরাপত্তা, অভিবাসন আইন এবং প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলারের একটি আবাসন প্রকল্প নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প মেয়র মামদানির সূচনাকে ইতিবাচক অভিহিত করে বলেন, "আশা করি, আপনি একজন দারুণ মেয়র হবেন। আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি, আপনি একজন অসাধারণ মেয়র হতে যাচ্ছেন এবং আপনার শুরুটাও হয়েছে খুব ভালোভাবে।" অথচ নিউইয়র্কের গত মেয়র নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর ৩৪ বছর বয়সী এই নবীন ডেমোক্র্যাট নেতার চরম সমালোচনা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দুপক্ষের কৌশলী ও কিছুটা উষ্ণ সম্পর্কের ইঙ্গিত মিলেছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক সফররত ট্রাম্পের সাথে বৈঠক শেষে মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, শহরের উন্নতির প্রতি রাষ্ট্রপতির প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানান তাঁরা। তিনি জানান, নগরবাসীকে নিরাপদ রাখার কৌশল এবং নগরীতে ১২ হাজার নতুন বসতি তৈরির একটি মেগা আবাসন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যার বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ফারেডারেল সরকারের ২১ বিলিয়ন ডলারের অনুদান প্রয়োজন।
রাজনৈতিকাদর্শের বিপুল ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও নিউইয়র্কের সার্বিক স্বার্থে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে ইতিবাচক সমঝোতা ও সহাবস্থান বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মামদানি। অন্যদিকে, ইরানের সাথে চলমান উত্তেজনা বা অভ্যন্তরীণ বিষয় গোপন করতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আপনার মতামত লিখুন