ইসরায়েলকে তাদের বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আটলান্টিক কাউন্সিল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন, বিগত প্রায় এক বছর ধরে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট আল-শারা জানান, ধারাবাহিক আলোচনার একপর্যায়ে দুদেশের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ বিষয়ে নীতিগত সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে ইসরায়েল নিজেদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসে এবং নতুন নতুন শর্ত যুক্ত করায় প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় নিরীহ মানুষের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রতি সমবেদনা ও অনুভূতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল একটি একক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে সিরিয়ার প্রতি ইসরায়েলের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতি নির্ধারণ করা কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না; বরং এ ধরনের একপেশে নীতি অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেবে। গাজা উপত্যকায় ব্যাপক প্রাণহানি ও মানবিক সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো রাষ্ট্রের নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই প্রতিবেশী ও অন্যান্য দেশের নিরাপত্তাকেও সমানভাবে সম্মান জানাতে হবে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইসরায়েলকে তাদের বিদ্যমান নিরাপত্তা নীতি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে আটলান্টিক কাউন্সিল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন, বিগত প্রায় এক বছর ধরে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট আল-শারা জানান, ধারাবাহিক আলোচনার একপর্যায়ে দুদেশের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ বিষয়ে নীতিগত সমঝোতা অর্জিত হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে ইসরায়েল নিজেদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসে এবং নতুন নতুন শর্ত যুক্ত করায় প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হয়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলায় নিরীহ মানুষের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির প্রতি সমবেদনা ও অনুভূতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল একটি একক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে সিরিয়ার প্রতি ইসরায়েলের সামগ্রিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতি নির্ধারণ করা কোনোভাবেই যৌক্তিক হতে পারে না; বরং এ ধরনের একপেশে নীতি অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেবে। গাজা উপত্যকায় ব্যাপক প্রাণহানি ও মানবিক সংকটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জোর দিয়ে বলেন, যেকোনো রাষ্ট্রের নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই প্রতিবেশী ও অন্যান্য দেশের নিরাপত্তাকেও সমানভাবে সম্মান জানাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন