ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার গজলডোবা এলাকায় নদী পারাপারের সময় তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়া এক সদ্যোজাত হস্তিশাবককে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট্ট বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে পরবর্তীতে বন দপ্তরের সহায়তায় সফলভাবে মা হাতির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বৈকুন্ঠপুরের জঙ্গল থেকে একটি হাতির দল তিস্তা নদী অতিক্রম করার সময় প্রবল স্রোতের তোড়ে ৩-৪ দিন বয়সী ওই হস্তিশাবকটি তার মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভাসতে ভাসতে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে চলে যাওয়া অসহায় বাচ্চাটিকে শুঁড় উঁচিয়ে খাবি খেতে দেখেন নদীতে থাকা কয়েকজন মৎস্যজীবী। তাঁরা তড়িঘড়ি নৌকা নিয়ে মাঝনদীতে গিয়ে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে হস্তিশাবকটিকে তুলে নেন।
পরে খবর পেয়ে বৈকুন্ঠপুর বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বনকর্মী ও স্থানীয় মৎস্যজীবীদের যৌথ প্রচেষ্টায় হস্তিশাবকটিকে সুস্থ অবস্থায় জঙ্গল সংলগ্ন নদীর পাড়ে নিয়ে যাওয়া হলে দিশেহারা মা হাতিটি সেখানে ছুটে আসে। সন্তানকে ফিরে পেয়ে মা হাতিটি তাকে সাথে নিয়ে জঙ্গলের দিকে চলে যায়। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের এই সময়োপযোগী উদ্যোগ ও সাহসিকতা সর্বস্তরে প্রশংসিত হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার গজলডোবা এলাকায় নদী পারাপারের সময় তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে যাওয়া এক সদ্যোজাত হস্তিশাবককে উদ্ধার করেছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট্ট বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে পরবর্তীতে বন দপ্তরের সহায়তায় সফলভাবে মা হাতির কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বৈকুন্ঠপুরের জঙ্গল থেকে একটি হাতির দল তিস্তা নদী অতিক্রম করার সময় প্রবল স্রোতের তোড়ে ৩-৪ দিন বয়সী ওই হস্তিশাবকটি তার মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ভাসতে ভাসতে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে চলে যাওয়া অসহায় বাচ্চাটিকে শুঁড় উঁচিয়ে খাবি খেতে দেখেন নদীতে থাকা কয়েকজন মৎস্যজীবী। তাঁরা তড়িঘড়ি নৌকা নিয়ে মাঝনদীতে গিয়ে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে হস্তিশাবকটিকে তুলে নেন।
পরে খবর পেয়ে বৈকুন্ঠপুর বন বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। বনকর্মী ও স্থানীয় মৎস্যজীবীদের যৌথ প্রচেষ্টায় হস্তিশাবকটিকে সুস্থ অবস্থায় জঙ্গল সংলগ্ন নদীর পাড়ে নিয়ে যাওয়া হলে দিশেহারা মা হাতিটি সেখানে ছুটে আসে। সন্তানকে ফিরে পেয়ে মা হাতিটি তাকে সাথে নিয়ে জঙ্গলের দিকে চলে যায়। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের এই সময়োপযোগী উদ্যোগ ও সাহসিকতা সর্বস্তরে প্রশংসিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন