ইরানের বাকি অংশও যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধ্বংস’ করতে হতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন যে দেশটি পুনর্গঠন করতে ২৫ বছর সময় লাগবে এবং এমন কোনো কঠোর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র নেবে কি না, তা ‘শিগগিরই জানা যাবে’।
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে আল-জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বিষয়ে ইরানের পাঠানো একটি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে এবং তেহরান তাদের সাতটি দাবি পূরণের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মাঝেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’ এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা ও অস্ত্রভান্ডার লক্ষ্য করে স্বল্পমেয়াদি ও তীব্র সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী, যার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজগুলোতে হাজার হাজার সেনাও মোতায়েন রাখা হয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার মধ্যেই ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মদিনা অঞ্চলের দিকে ছোড়া হুথিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করলেও হুথিরা তা অস্বীকার করেছে। পারমাণবিক আলোচনা ও সামরিক প্রস্তুতির এই দ্বিমুখী পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ইরানের বাকি অংশও যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ধ্বংস’ করতে হতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন যে দেশটি পুনর্গঠন করতে ২৫ বছর সময় লাগবে এবং এমন কোনো কঠোর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র নেবে কি না, তা ‘শিগগিরই জানা যাবে’।
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে আল-জাজিরাসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বিষয়ে ইরানের পাঠানো একটি প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে এবং তেহরান তাদের সাতটি দাবি পূরণের অপেক্ষায় রয়েছে। এর মাঝেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’ এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, পারমাণবিক স্থাপনা ও অস্ত্রভান্ডার লক্ষ্য করে স্বল্পমেয়াদি ও তীব্র সামরিক অভিযান চালাতে প্রস্তুত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী, যার জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজগুলোতে হাজার হাজার সেনাও মোতায়েন রাখা হয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার মধ্যেই ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থনকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মদিনা অঞ্চলের দিকে ছোড়া হুথিদের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করলেও হুথিরা তা অস্বীকার করেছে। পারমাণবিক আলোচনা ও সামরিক প্রস্তুতির এই দ্বিমুখী পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন