শক্তিশালী টাইফুন 'দুজুয়ান'-এর তাণ্ডবে জাপানের রাজধানী টোকিওসহ দেশটির আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। সোমবার আঘাত হানা এই টাইফুনের ধ্বংসাত্মক প্রভাবে ছয়টি প্রশাসনিক অঞ্চলের অন্তত ১৯ লাখের বেশি অধিবাসীকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ।
ঘূর্ণিঝড়ের তীব্র আঘাতে ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অন্তত ৫০ হাজার পরিবার। পরিবহন খাতে নেমে এসেছে বড় ধরনের স্থবিরতা; আকাশপথে বাতিল করা হয়েছে ৩০০টিরও বেশি ফ্লাইট এবং নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যস্ত রেল রুট। কানাগাওয়া অঞ্চলে ভূমিধসে বসতবাড়ি ধসে পড়ে এক নারী চাপা পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এছাড়া চিবা অঞ্চলে ঝড়ের ধ্বংসাবশেষ সরাতে গিয়ে আহত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যানুযায়ী, টাইফুন দুজুয়ানের কেন্দ্রে বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার হলেও দমকা হাওয়া সর্বোচ্চ ১৯৪ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে মানবজীবনের জন্য সরাসরি ও তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবে ঘোষণা করে জনগণকে দ্রুত উঁচু ও সুরক্ষিত স্থানে আশ্রয় নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ ঘর বা বেসমেন্টে আশ্রয় না নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে সেখানে আটকা পড়ার চরম ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি খোলা ম্যানহোলের কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতা জারি করেছে টোকিও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
টাইফুনটির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে বর্তমানে ভারী বৃষ্টির তৃতীয় স্তরের সতর্কতা জারি রয়েছে। সার্বিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার তৎপরতা প্রত্যক্ষভাবে তদারকি করতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাঁর নির্ধারিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর বিলম্বিত করেছেন।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শক্তিশালী টাইফুন 'দুজুয়ান'-এর তাণ্ডবে জাপানের রাজধানী টোকিওসহ দেশটির আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। সোমবার আঘাত হানা এই টাইফুনের ধ্বংসাত্মক প্রভাবে ছয়টি প্রশাসনিক অঞ্চলের অন্তত ১৯ লাখের বেশি অধিবাসীকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ।
ঘূর্ণিঝড়ের তীব্র আঘাতে ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অন্তত ৫০ হাজার পরিবার। পরিবহন খাতে নেমে এসেছে বড় ধরনের স্থবিরতা; আকাশপথে বাতিল করা হয়েছে ৩০০টিরও বেশি ফ্লাইট এবং নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে একাধিক ব্যস্ত রেল রুট। কানাগাওয়া অঞ্চলে ভূমিধসে বসতবাড়ি ধসে পড়ে এক নারী চাপা পড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। এছাড়া চিবা অঞ্চলে ঝড়ের ধ্বংসাবশেষ সরাতে গিয়ে আহত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যানুযায়ী, টাইফুন দুজুয়ানের কেন্দ্রে বাতাসের স্থায়ী গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার হলেও দমকা হাওয়া সর্বোচ্চ ১৯৪ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। জাপান আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে মানবজীবনের জন্য সরাসরি ও তাৎক্ষণিক হুমকি হিসেবে ঘোষণা করে জনগণকে দ্রুত উঁচু ও সুরক্ষিত স্থানে আশ্রয় নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে। বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ ঘর বা বেসমেন্টে আশ্রয় না নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ হঠাৎ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়ে সেখানে আটকা পড়ার চরম ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি খোলা ম্যানহোলের কারণে সৃষ্ট দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতা জারি করেছে টোকিও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
টাইফুনটির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে বর্তমানে ভারী বৃষ্টির তৃতীয় স্তরের সতর্কতা জারি রয়েছে। সার্বিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার তৎপরতা প্রত্যক্ষভাবে তদারকি করতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তাঁর নির্ধারিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর বিলম্বিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন