অংশীদারি ব্যবসা ও সোসাইটি নিবন্ধনের দীর্ঘসূত্রতা দূর করে নাগরিকসেবা সহজ করতে নতুন ও কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। এখন থেকে অনলাইনে আবেদন পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যেই নিবন্ধন দিতে হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা পুরোনো সব আবেদন আগামী তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি) থেকে জারিকৃত নতুন নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আরজেএসসির নিবন্ধক আহমেদ উল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নত করা এবং দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধন দেওয়া সম্ভব না হলে পরবর্তী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তার কারণ জানাতে হবে এবং আবেদনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের জন্য ৭ থেকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন ও ১৮৬০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী পরিচালিত আরজেএসসিতে বর্তমানে ৬৪ হাজারের বেশি অংশীদারি প্রতিষ্ঠান এবং ১৭ হাজারের বেশি সোসাইটি নিবন্ধিত রয়েছে। ঝুলে থাকা আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নিবন্ধকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে থাকা উদ্যোক্তারা বড় স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
অংশীদারি ব্যবসা ও সোসাইটি নিবন্ধনের দীর্ঘসূত্রতা দূর করে নাগরিকসেবা সহজ করতে নতুন ও কঠোর সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। এখন থেকে অনলাইনে আবেদন পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যেই নিবন্ধন দিতে হবে এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা পুরোনো সব আবেদন আগামী তিন মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি) থেকে জারিকৃত নতুন নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আরজেএসসির নিবন্ধক আহমেদ উল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নত করা এবং দাপ্তরিক কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদন যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ে নিবন্ধন দেওয়া সম্ভব না হলে পরবর্তী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তার কারণ জানাতে হবে এবং আবেদনে কোনো ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের জন্য ৭ থেকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইন ও ১৮৬০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী পরিচালিত আরজেএসসিতে বর্তমানে ৬৪ হাজারের বেশি অংশীদারি প্রতিষ্ঠান এবং ১৭ হাজারের বেশি সোসাইটি নিবন্ধিত রয়েছে। ঝুলে থাকা আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের নিবন্ধকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে থাকা উদ্যোক্তারা বড় স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন