আগামী দুই বছর প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাব অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন বিবিসির হোয়াইট হাউজ প্রতিবেদক বার্ন্ড ডেবুসম্যান জুনিয়র। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলানোর প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের কার্যক্ষমতা কিছুটা খর্ব হলেও তিনি পুরোপুরি ক্ষমতাহীন হয়ে পড়ছেন না।
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই বিশ্লেষণে বলা হয়, কংগ্রেসে পাস হওয়া যেকোনো বিলে ভিটো দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাম্পের হাতে বহাল রয়েছে এবং ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে রিপাবলিকানদের সমর্থন ছাড়া সেই ভিটো অকার্যকর করা সহজ হবে না, যার ফলে তিনি ইতিমধ্যে ‘মিস্টার ভিটো’ হয়ে উঠতে প্রস্তুত বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এছাড়া বর্তমান কংগ্রেসের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের এই সময়টিতে বিচারকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে নিজের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া এবং নির্বাহী আদেশ জারি, জরুরি অবস্থা ঘোষণা কিংবা পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনার মতো ক্ষমতাগুলো ব্যবহারের সুযোগও তার হাতে রয়েছে।
এর বাইরে অপরাধীদের ক্ষমা করার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতার কোনো বিকল্প নেই, যা ব্যবহার করে ক্ষমতা ছাড়ার আগে তিনি মিত্রদের আগাম ক্ষমা করে দিলে তা বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে—যেমনটি অতীতে বাইডেনও করেছিলেন। সবমিলিয়ে, নির্বাহী এখতিয়ার ও ভিটো ক্ষমতার জোরে ট্রাম্প আগামী দিনগুলোতে মার্কিন রাজনীতিতে নিজের প্রভাব ধরে রাখতে নানা কৌশল নিয়ে এগোচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
আগামী দুই বছর প্রেসিডেন্ট পদে বহাল থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও প্রভাব অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন বিবিসির হোয়াইট হাউজ প্রতিবেদক বার্ন্ড ডেবুসম্যান জুনিয়র। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কংগ্রেসে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলানোর প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের কার্যক্ষমতা কিছুটা খর্ব হলেও তিনি পুরোপুরি ক্ষমতাহীন হয়ে পড়ছেন না।
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এই বিশ্লেষণে বলা হয়, কংগ্রেসে পাস হওয়া যেকোনো বিলে ভিটো দেওয়ার ক্ষমতা ট্রাম্পের হাতে বহাল রয়েছে এবং ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে রিপাবলিকানদের সমর্থন ছাড়া সেই ভিটো অকার্যকর করা সহজ হবে না, যার ফলে তিনি ইতিমধ্যে ‘মিস্টার ভিটো’ হয়ে উঠতে প্রস্তুত বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এছাড়া বর্তমান কংগ্রেসের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের এই সময়টিতে বিচারকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে নিজের মনোনীত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া এবং নির্বাহী আদেশ জারি, জরুরি অবস্থা ঘোষণা কিংবা পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনার মতো ক্ষমতাগুলো ব্যবহারের সুযোগও তার হাতে রয়েছে।
এর বাইরে অপরাধীদের ক্ষমা করার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতার কোনো বিকল্প নেই, যা ব্যবহার করে ক্ষমতা ছাড়ার আগে তিনি মিত্রদের আগাম ক্ষমা করে দিলে তা বড় ধরনের রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে—যেমনটি অতীতে বাইডেনও করেছিলেন। সবমিলিয়ে, নির্বাহী এখতিয়ার ও ভিটো ক্ষমতার জোরে ট্রাম্প আগামী দিনগুলোতে মার্কিন রাজনীতিতে নিজের প্রভাব ধরে রাখতে নানা কৌশল নিয়ে এগোচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন