সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বিতর্কের জের ধরে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর তাঁর এমপি পদের ভবিষ্যত নিয়ে নতুন আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে লিখিত চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এখতিয়ার স্পষ্ট করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিইসি জানান, ‘জাতীয় সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০’ অনুযায়ী কোনো দলের রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সরাসরি সংসদ সদস্য পদ বাতিল বা ব্যবস্থা নিতে পারে না নির্বাচন কমিশন।
আইন অনুযায়ী, কোনো এমপির পদ সংক্রান্ত যেকোনো বিরোধ বা অভিযোগের বিষয়টি প্রথমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট উত্থাপিত হতে হয়। পরবর্তীতে স্পিকার থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে রেফার করা হলে তবেই কমিশন উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণ করে চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পায়।
সিইসি আরও স্পষ্ট করেন যে, সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও গাজী নজরুলের এমপি পদ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি। স্পিকারের কার্যালয় থেকে লিখিত কোনো রেফারেন্স কমিশনে পৌঁছালে বিদ্যমান আইন অনুসরণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বিতর্কের জের ধরে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পর তাঁর এমপি পদের ভবিষ্যত নিয়ে নতুন আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে লিখিত চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এখতিয়ার স্পষ্ট করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সিইসি জানান, ‘জাতীয় সংসদ সদস্যপদ বিরোধ নিষ্পত্তি আইন-১৯৮০’ অনুযায়ী কোনো দলের রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সরাসরি সংসদ সদস্য পদ বাতিল বা ব্যবস্থা নিতে পারে না নির্বাচন কমিশন।
আইন অনুযায়ী, কোনো এমপির পদ সংক্রান্ত যেকোনো বিরোধ বা অভিযোগের বিষয়টি প্রথমে জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট উত্থাপিত হতে হয়। পরবর্তীতে স্পিকার থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনে রেফার করা হলে তবেই কমিশন উভয় পক্ষের শুনানি গ্রহণ করে চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ পায়।
সিইসি আরও স্পষ্ট করেন যে, সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সাথে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও গাজী নজরুলের এমপি পদ সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি। স্পিকারের কার্যালয় থেকে লিখিত কোনো রেফারেন্স কমিশনে পৌঁছালে বিদ্যমান আইন অনুসরণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন