দিকপাল

কেবল শুরু, এখনো অনেক পথ বাকি: ককরোচ পার্টি প্রতিষ্ঠাতা


মোঃ রফিকুল ইসলাম
মোঃ রফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ | ১১:২২ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

কেবল শুরু, এখনো অনেক পথ বাকি: ককরোচ পার্টি প্রতিষ্ঠাতা

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও আন্দোলনের অন্যান্য দাবি মেনে নেওয়ার পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই অর্জনেই তাদের পথচলা শেষ নয়, বরং এটি কেবল শুরু।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে সামাজিকমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ৩০ বছর বয়সী এই আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, 'এখন আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি, নিজের ঘরে ঘুম থেকে উঠতে পারি— সারাদিন কী হবে বা পরক্ষণেই কী করতে হবে, তা নিয়ে আর আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে না।'

৩৭ দিনের টানা আন্দোলনের অভিজ্ঞতাকে তিনি 'অত্যন্ত কঠিন' বলে উল্লেখ করেন। দীপকে বলেন, 'এটি কেবল শুরু। ককরোচ জনতা পার্টির সামনে এখনো অনেক দীর্ঘ পথ বাকি।'

গত মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে ব্যঙ্গ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) গঠন করেছিলেন দীপকে। শুরুতে এটি একটি প্রতীকী উদ্যোগ হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা দেশজুড়ে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে। পরবর্তী সময়ে হাজারো সমর্থক, যারা নিজেদের 'ককরোচ' বলে পরিচয় দিতেন, রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে সমবেত হন।

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দায়ী করে তার পদত্যাগের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। সরকারের সিদ্ধান্তে বিলম্ব হওয়ায় আন্দোলনে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সমর্থক যুক্ত হতে থাকেন। অবশেষে শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দিলে সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

ভিডিও বার্তায় দীপকে জানান, এই সাফল্যের পথ মোটেও সহজ ছিল না। শুরুতে অনেকেই তাদের উদ্যোগ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এরপরও যারা আন্দোলনের পাশে থেকেছেন, তাদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ায় এবং জ্বরে ভোগার কারণে আন্দোলন প্রত্যাহারের দিন যন্তর মন্তরে উপস্থিত সবার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে ধন্যবাদ জানাতে পারেননি।

সমর্থকদের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তার ভাষায়, গঠনমূলক সমালোচনা ও যৌক্তিক প্রশ্নই তাদের ভুল-ত্রুটি শুধরে নিতে এবং আন্দোলনকে আরো কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬


কেবল শুরু, এখনো অনেক পথ বাকি: ককরোচ পার্টি প্রতিষ্ঠাতা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও আন্দোলনের অন্যান্য দাবি মেনে নেওয়ার পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই অর্জনেই তাদের পথচলা শেষ নয়, বরং এটি কেবল শুরু।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে সামাজিকমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ৩০ বছর বয়সী এই আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, 'এখন আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি, নিজের ঘরে ঘুম থেকে উঠতে পারি— সারাদিন কী হবে বা পরক্ষণেই কী করতে হবে, তা নিয়ে আর আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে না।'

৩৭ দিনের টানা আন্দোলনের অভিজ্ঞতাকে তিনি 'অত্যন্ত কঠিন' বলে উল্লেখ করেন। দীপকে বলেন, 'এটি কেবল শুরু। ককরোচ জনতা পার্টির সামনে এখনো অনেক দীর্ঘ পথ বাকি।'

গত মে মাসে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে ব্যঙ্গ করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) গঠন করেছিলেন দীপকে। শুরুতে এটি একটি প্রতীকী উদ্যোগ হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা দেশজুড়ে বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে। পরবর্তী সময়ে হাজারো সমর্থক, যারা নিজেদের 'ককরোচ' বলে পরিচয় দিতেন, রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক আন্দোলনস্থল যন্তর মন্তরে সমবেত হন।

নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দায়ী করে তার পদত্যাগের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। সরকারের সিদ্ধান্তে বিলম্ব হওয়ায় আন্দোলনে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সমর্থক যুক্ত হতে থাকেন। অবশেষে শনিবার ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পাশাপাশি সরকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দিলে সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়।

ভিডিও বার্তায় দীপকে জানান, এই সাফল্যের পথ মোটেও সহজ ছিল না। শুরুতে অনেকেই তাদের উদ্যোগ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। এরপরও যারা আন্দোলনের পাশে থেকেছেন, তাদের প্রতি তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ায় এবং জ্বরে ভোগার কারণে আন্দোলন প্রত্যাহারের দিন যন্তর মন্তরে উপস্থিত সবার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে ধন্যবাদ জানাতে পারেননি।

সমর্থকদের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তার ভাষায়, গঠনমূলক সমালোচনা ও যৌক্তিক প্রশ্নই তাদের ভুল-ত্রুটি শুধরে নিতে এবং আন্দোলনকে আরো কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করেছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল