ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষবিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা করছে তেহরান। আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে শুরু হয়ে ৯ জুলাই দাফনের মধ্য দিয়ে এই স্মরণকালের বৃহত্তম অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি অংশ নেবেন ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা ও প্রয়াত নেতার পুত্র মোজতবা আলী খামেনি। তবে সম্প্রতি ইসরায়েলের পক্ষ থেকে খামেনিপুত্রকে লক্ষ্য করে নতুন হুমকি দেওয়ায় পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও হামলার সতর্কতা জারি করেছে দেশটির প্রশাসন।
ইরানের এই আশঙ্কার নেপথ্যে রয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের সাম্প্রতিক একটি উসকানিমূলক মন্তব্য। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে হত্যা করাই এখন তাদের পরবর্তী প্রধান লক্ষ্য। এই মন্তব্যের পরই মূলত খামেনির জানাজা ও শেষবিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য বিমান বা ড্রোন হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে এই হুমকির পর চুপ থাকেনি তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দেশের জনগণ কিংবা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হুমকির তাৎক্ষণিক, দাঁতভাঙা ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার তাম আল-আম্বিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দেশ রক্ষায় সর্বোচ্চ কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিশেষ বিবৃতিতে এই শীর্ষ কমান্ডার বলেন, ‘আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আর কোনো ভুল না করার জন্য চরম সতর্কবার্তা দিচ্ছি। আমাদের প্রিয় দেশকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের নতুন হুমকি বা আগ্রাসনের চেষ্টা করা হলে, তার জবাবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুর ওপর কঠোর ও নির্মম প্রতিশোধ নেবে।’

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষবিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা করছে তেহরান। আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে শুরু হয়ে ৯ জুলাই দাফনের মধ্য দিয়ে এই স্মরণকালের বৃহত্তম অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এই রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বিশ্বনেতাদের পাশাপাশি অংশ নেবেন ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা ও প্রয়াত নেতার পুত্র মোজতবা আলী খামেনি। তবে সম্প্রতি ইসরায়েলের পক্ষ থেকে খামেনিপুত্রকে লক্ষ্য করে নতুন হুমকি দেওয়ায় পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও হামলার সতর্কতা জারি করেছে দেশটির প্রশাসন।
ইরানের এই আশঙ্কার নেপথ্যে রয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের সাম্প্রতিক একটি উসকানিমূলক মন্তব্য। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী সরাসরি হুমকি দিয়ে বলেছেন, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে হত্যা করাই এখন তাদের পরবর্তী প্রধান লক্ষ্য। এই মন্তব্যের পরই মূলত খামেনির জানাজা ও শেষবিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার এবং সম্ভাব্য বিমান বা ড্রোন হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে এই হুমকির পর চুপ থাকেনি তেহরান। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দেশের জনগণ কিংবা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হুমকির তাৎক্ষণিক, দাঁতভাঙা ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার তাম আল-আম্বিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে দেশ রক্ষায় সর্বোচ্চ কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিশেষ বিবৃতিতে এই শীর্ষ কমান্ডার বলেন, ‘আমরা ইরানের শত্রুদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আর কোনো ভুল না করার জন্য চরম সতর্কবার্তা দিচ্ছি। আমাদের প্রিয় দেশকে লক্ষ্য করে যেকোনো ধরনের নতুন হুমকি বা আগ্রাসনের চেষ্টা করা হলে, তার জবাবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুর ওপর কঠোর ও নির্মম প্রতিশোধ নেবে।’

আপনার মতামত লিখুন