বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় যুবককে গুলি করে হত্যার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ‘নো অর্ডার’ আদেশ প্রদান করেন। এর ফলে সাবেক এই প্রধান বিচারপতির কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবীরা।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ৩০ জুন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে। আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সেই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটির ওপর কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে ‘নো অর্ডার’ দেন, যা কার্যত হাইকোর্টের জামিন আদেশকেই বহাল রাখে।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজা। শুনানি শেষে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু গণমাধ্যমকে জানান, আপিল বিভাগের এই আদেশের পর তাঁর মক্কেলের মুক্তিতে আর কোনো আইনি জটিলতা অবশিষ্ট নেই।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন যাত্রাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুলিতে খোবাইব (২০) নামে এক যুবক নিহত হন। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৬ নভেম্বর নিহত যুবকের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককেও আসামি করা হয়।
এর আগে গত ২১ জুন নিম্ন আদালত তথা বিচারিক আদালত খায়রুল হকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানান এবং ৩০ জুন আইনি লড়াইয়ের পর জামিন লাভ করেন।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় যুবককে গুলি করে হত্যার মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ‘নো অর্ডার’ আদেশ প্রদান করেন। এর ফলে সাবেক এই প্রধান বিচারপতির কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবীরা।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ৩০ জুন হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছিলেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে। আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে সেই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটির ওপর কোনো স্থগিতাদেশ না দিয়ে ‘নো অর্ডার’ দেন, যা কার্যত হাইকোর্টের জামিন আদেশকেই বহাল রাখে।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজা। শুনানি শেষে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু গণমাধ্যমকে জানান, আপিল বিভাগের এই আদেশের পর তাঁর মক্কেলের মুক্তিতে আর কোনো আইনি জটিলতা অবশিষ্ট নেই।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন যাত্রাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুলিতে খোবাইব (২০) নামে এক যুবক নিহত হন। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৬ নভেম্বর নিহত যুবকের ভাই জোবায়ের আহম্মেদ বাদী হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককেও আসামি করা হয়।
এর আগে গত ২১ জুন নিম্ন আদালত তথা বিচারিক আদালত খায়রুল হকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিলে তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জানান এবং ৩০ জুন আইনি লড়াইয়ের পর জামিন লাভ করেন।

আপনার মতামত লিখুন