উড্ডয়নের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বিমানে এক শিশুর সিটবেল্ট বাঁধতে অস্বীকৃতি জানানোর জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত পুরো ফ্লাইটটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত ৬ আগস্ট ২০২৬ ক্যানাডার ভিক্টোরিয়া থেকে টরন্টোগামী পোর্টার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এই নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটে।
পোর্টার এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা যায়, বিমানটি যখন উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তখন এক শিশু নিজের আসনে দাঁড়িয়ে সিটবেল্ট বাঁধতে অস্বীকৃতি জানায়। শিশুটির সঙ্গে থাকা অভিভাবক এবং বিমানের ক্রু সদস্যরা দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করেও তাকে সিটবেল্ট বাঁধাতে ব্যর্থ হন। এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানায়, এই অনিরাপদ অবস্থায় উড়োজাহাজটি উড্ডয়ন করা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। ফলে ক্রুরা বিমানটি রানওয়ে থেকে পুনরায় টার্মিনালে ফিরিয়ে নিয়ে যান এবং ওই দুই যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ার কারণে মধ্যরাতের পর রানওয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফ্লাইটটি আর উড্ডয়ন করতে পারেনি। ফলে বাধ্য হয়ে পুরো ফ্লাইটটি বাতিল করে অন্য যাত্রীদের পরবর্তী দিনের ফ্লাইটে পুনরায় বুকিং দেওয়া হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে অনলাইনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ফ্লাইটের এক যাত্রী সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজকে জানান, শিশুটি উচ্ছৃঙ্খল ছিল না, বরং তাকে বেশ ভীত মনে হচ্ছিল এবং সে ভয়ে আসনের নিচে লুকিয়ে যাচ্ছিল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবারটিকে নামিয়ে দেওয়ার পরও কেন পুরো ফ্লাইট বাতিল করতে হলো। তবে শিশু বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এয়ারলাইন্সের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, উড্ডয়ন বা অবতরণের সময় সিটবেল্ট ছাড়া থাকলে যেকোনো ঝাঁকুনিতে শিশুটি লাগেজের মতো ছিটকে গিয়ে নিজের ও অন্য যাত্রীদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারত। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১২ ও ২০১৮ সালে ক্রুদের নির্দেশনা না মানা এবং সিটবেল্ট না বাঁধার কারণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে পরিবারকে নামিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছিল।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
উড্ডয়নের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত বিমানে এক শিশুর সিটবেল্ট বাঁধতে অস্বীকৃতি জানানোর জেরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত পুরো ফ্লাইটটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত ৬ আগস্ট ২০২৬ ক্যানাডার ভিক্টোরিয়া থেকে টরন্টোগামী পোর্টার এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এই নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটে।
পোর্টার এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা যায়, বিমানটি যখন উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তখন এক শিশু নিজের আসনে দাঁড়িয়ে সিটবেল্ট বাঁধতে অস্বীকৃতি জানায়। শিশুটির সঙ্গে থাকা অভিভাবক এবং বিমানের ক্রু সদস্যরা দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করেও তাকে সিটবেল্ট বাঁধাতে ব্যর্থ হন। এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানায়, এই অনিরাপদ অবস্থায় উড়োজাহাজটি উড্ডয়ন করা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। ফলে ক্রুরা বিমানটি রানওয়ে থেকে পুনরায় টার্মিনালে ফিরিয়ে নিয়ে যান এবং ওই দুই যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই পুরো প্রক্রিয়ার কারণে মধ্যরাতের পর রানওয়ে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ফ্লাইটটি আর উড্ডয়ন করতে পারেনি। ফলে বাধ্য হয়ে পুরো ফ্লাইটটি বাতিল করে অন্য যাত্রীদের পরবর্তী দিনের ফ্লাইটে পুনরায় বুকিং দেওয়া হয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে অনলাইনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ফ্লাইটের এক যাত্রী সংবাদমাধ্যম সিবিসি নিউজকে জানান, শিশুটি উচ্ছৃঙ্খল ছিল না, বরং তাকে বেশ ভীত মনে হচ্ছিল এবং সে ভয়ে আসনের নিচে লুকিয়ে যাচ্ছিল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, পরিবারটিকে নামিয়ে দেওয়ার পরও কেন পুরো ফ্লাইট বাতিল করতে হলো। তবে শিশু বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এয়ারলাইন্সের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, উড্ডয়ন বা অবতরণের সময় সিটবেল্ট ছাড়া থাকলে যেকোনো ঝাঁকুনিতে শিশুটি লাগেজের মতো ছিটকে গিয়ে নিজের ও অন্য যাত্রীদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারত। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১২ ও ২০১৮ সালে ক্রুদের নির্দেশনা না মানা এবং সিটবেল্ট না বাঁধার কারণে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে পরিবারকে নামিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছিল।

আপনার মতামত লিখুন