মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এ নৌসদস্যদের নিজেদের মধ্যে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ৭ জন নৌসদস্য নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। আজ বুধবার (১২ আগস্ট ২০২৬) মিডল ইস্ট নিউজ (এমএনএ)-এর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ২৬৩ দিন ধরে ভারত মহাসাগরে টানা মোতায়েন থাকার কারণে রণতরীটির নাবিকদের ওপর মানসিক চাপ বাড়ছিল এবং তাঁদের পরিবারের মধ্যেও তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের একজন উপদেষ্টা নাবিকদের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা শুনতে জাহাজটিতে যান। সেখানে নাবিকদের একটি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ক্ষুব্ধ সদস্যরা তাঁকে লক্ষ্য করে দুয়োধ্বনি দেন এবং পানির বোতল ছোড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং নাবিকদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
এমএনএ-এর দাবি অনুযায়ী, সংঘর্ষের একপর্যায়ে ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হলে সাতজন নৌসদস্য নিহত হন। ঘটনার পর থেকে জাহাজের ভেতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ও অস্থির রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সাতজন নিহত হওয়ার এই তথ্যের পক্ষে মার্কিন নৌবাহিনী কিংবা আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে এখনও নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে হতাহতের বিষয়টি আপাতত ওই প্রতিবেদনের দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এ নৌসদস্যদের নিজেদের মধ্যে এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় অন্তত ৭ জন নৌসদস্য নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। আজ বুধবার (১২ আগস্ট ২০২৬) মিডল ইস্ট নিউজ (এমএনএ)-এর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ২৬৩ দিন ধরে ভারত মহাসাগরে টানা মোতায়েন থাকার কারণে রণতরীটির নাবিকদের ওপর মানসিক চাপ বাড়ছিল এবং তাঁদের পরিবারের মধ্যেও তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের একজন উপদেষ্টা নাবিকদের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা শুনতে জাহাজটিতে যান। সেখানে নাবিকদের একটি সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ক্ষুব্ধ সদস্যরা তাঁকে লক্ষ্য করে দুয়োধ্বনি দেন এবং পানির বোতল ছোড়েন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং নাবিকদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
এমএনএ-এর দাবি অনুযায়ী, সংঘর্ষের একপর্যায়ে ছুরি ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হলে সাতজন নৌসদস্য নিহত হন। ঘটনার পর থেকে জাহাজের ভেতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ও অস্থির রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সাতজন নিহত হওয়ার এই তথ্যের পক্ষে মার্কিন নৌবাহিনী কিংবা আন্তর্জাতিক কোনো প্রধান সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে এখনও নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে হতাহতের বিষয়টি আপাতত ওই প্রতিবেদনের দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন