প্রায় ৩৫ বছর পর দেশে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেই বিরোধী দলীয় জোটের পক্ষ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, “গণতন্ত্রের স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রয়োজন। দেশবাসীকে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান জানান দিতে এবং এই নির্বাচনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে না দেওয়ার জন্য ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কথা বললেও কার্যত পূর্বতন সরকারগুলোর মতোই দলীয় প্রভাবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিত, তবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে এককভাবে একজন যোগ্য প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু প্রক্রিয়াটি পরিবর্তন না করে রাষ্ট্রপতি পদটাকে সম্পূর্ণ দলীয় ব্যাপারে রূপ দেওয়া হয়েছে। তাই সংস্কারহীন এই প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে এবং নিজেদের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অবস্থান সুদৃঢ় করতেই বিরোধী দল আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রায় ৩৫ বছর পর দেশে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যেই বিরোধী দলীয় জোটের পক্ষ থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, “গণতন্ত্রের স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রয়োজন। দেশবাসীকে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থান জানান দিতে এবং এই নির্বাচনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে না দেওয়ার জন্য ১১-দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের কথা বললেও কার্যত পূর্বতন সরকারগুলোর মতোই দলীয় প্রভাবের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিত, তবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে এককভাবে একজন যোগ্য প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু প্রক্রিয়াটি পরিবর্তন না করে রাষ্ট্রপতি পদটাকে সম্পূর্ণ দলীয় ব্যাপারে রূপ দেওয়া হয়েছে। তাই সংস্কারহীন এই প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে এবং নিজেদের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অবস্থান সুদৃঢ় করতেই বিরোধী দল আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন