যারা ইসরায়েলকে নিজেদের পিতৃভূমি মনে করে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সাথেই আঁতাত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সমাবেশে রুহুল কবির রিজভী জামায়াত নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “৫ আগস্টের পর তাদের নেতা বললেন আওয়ামী লীগের সবাইকে মাফ করে দেবেন। তাহলে মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদের মতো বীর শহীদদের আত্মদান ও বুকের তাজা রক্ত কি বৃথা? আপনি তাদের রক্তকে মাড়িয়ে খুনিদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলছেন এবং পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রধান তাঁর সরকারি বাসভবনের চারপাশে ১৯৭১ থেকে শুরু করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত একটি চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করলেও, সেখানে দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার ঘোষকের কোনো ছবি রাখা হয়নি। এটি থেকেই তাঁদের অন্তরের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও গোপন রাজনৈতিক এজেন্ডা প্রকাশ পায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের চেতনার পথ ধরেই ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব এসেছে। এ দেশের মানুষ যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে বুক চিতিয়ে লড়াই করতে জানে এবং আজকের প্রজন্মই সেই বীরত্বপূর্ণ ইতিহাসের প্রকৃত উত্তরাধিকার।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
যারা ইসরায়েলকে নিজেদের পিতৃভূমি মনে করে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের সাথেই আঁতাত করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সমাবেশে রুহুল কবির রিজভী জামায়াত নেতার সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “৫ আগস্টের পর তাদের নেতা বললেন আওয়ামী লীগের সবাইকে মাফ করে দেবেন। তাহলে মুগ্ধ, ওয়াসিম আকরাম ও আবু সাঈদের মতো বীর শহীদদের আত্মদান ও বুকের তাজা রক্ত কি বৃথা? আপনি তাদের রক্তকে মাড়িয়ে খুনিদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলছেন এবং পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রধান তাঁর সরকারি বাসভবনের চারপাশে ১৯৭১ থেকে শুরু করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত একটি চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করলেও, সেখানে দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার ঘোষকের কোনো ছবি রাখা হয়নি। এটি থেকেই তাঁদের অন্তরের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও গোপন রাজনৈতিক এজেন্ডা প্রকাশ পায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের চেতনার পথ ধরেই ১৯৯০ এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব এসেছে। এ দেশের মানুষ যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে বুক চিতিয়ে লড়াই করতে জানে এবং আজকের প্রজন্মই সেই বীরত্বপূর্ণ ইতিহাসের প্রকৃত উত্তরাধিকার।

আপনার মতামত লিখুন