দেশের সব স্তরের সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদুল আজহা এবং গ্রীষ্মকালীন দীর্ঘ অবকাশের যৌথ ছুটি অবশেষে শেষ হতে চলেছে। দীর্ঘদিনের আনন্দ ও অবসরের দিনগুলো কাটিয়ে আগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কলেজসমূহ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পুনরায় নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘ দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সুনসান থাকা শ্রেণিকক্ষগুলো আবার লাখ লাখ শিক্ষার্থীর কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত চলতি বছরের অফিশিয়াল শিক্ষাপঞ্জি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন যৌথ অবকাশ যাপনের লক্ষ্যে গত চব্বিশে মে থেকে এই ছুটি কার্যকর হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ে হিসাব করলে দেখা যায়, গত একুশে মে বৃহস্পতিবারের শেষ ক্লাস হওয়ার পর থেকেই মূলত শিক্ষার্থীরা ছুটির আমেজে মেতে ওঠে, কারণ এর পরের দুই দিন অর্থাৎ বাইশ ও তেইশে মে যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত এই দীর্ঘ ছুটি শেষ হয়েছে গত বৃহস্পতিবার চার জুন। এরপর পাঁচ ও ছয় জুন যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবারের নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্তভাবে খোলার দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল রবিবার। সব মিলিয়ে হিসাব করলে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ একনাগাড়ে দীর্ঘ ষোলো দিনের একটি বড় ও প্রাণবন্ত ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছে।
অন্য দিকে দেশের মাদরাসা স্তরের সাধারণ ও ধর্মীয় শিক্ষার্থীরা সাধারণ স্কুল-কলেজের তুলনায় আরও অনেক বেশি দীর্ঘ সময় ধরে ছুটি কাটানোর সুযোগ পেয়েছে এবং এখনো পাচ্ছে। দেশের আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল এবং কামিল স্তরের সব মাদরাসায় গত চব্বিশে মে থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ অবকাশের সময়সীমা আগামী এগারো জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপরের দুই দিন অর্থাৎ বারো ও তেরো জুন নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি বা উইকেন্ড থাকায় সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী চৌদ্দই জুন রবিবার থেকে মাদরাসাগুলোতে পুনরায় স্বাভাবিক ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হবে। ফলে দেখা যাচ্ছে যে, মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সব মিলিয়ে প্রায় তেইশ দিনের একটি বিশাল ছুটি কাটানোর চমৎকার সুযোগ পেয়েছে, যা তাদের দীর্ঘ পড়াশোনার ক্লান্তি দূর করে নতুন উদ্যমে ক্লাসে ফিরতে দারুণভাবে সাহায্য করবে। দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল ও মাদরাসার এই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধুয়েমুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
দেশের সব স্তরের সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পবিত্র ঈদুল আজহা এবং গ্রীষ্মকালীন দীর্ঘ অবকাশের যৌথ ছুটি অবশেষে শেষ হতে চলেছে। দীর্ঘদিনের আনন্দ ও অবসরের দিনগুলো কাটিয়ে আগামীকাল রবিবার থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের কলেজসমূহ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে পুনরায় নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘ দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে সুনসান থাকা শ্রেণিকক্ষগুলো আবার লাখ লাখ শিক্ষার্থীর কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত চলতি বছরের অফিশিয়াল শিক্ষাপঞ্জি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন যৌথ অবকাশ যাপনের লক্ষ্যে গত চব্বিশে মে থেকে এই ছুটি কার্যকর হয়েছিল। তবে মাঠপর্যায়ে হিসাব করলে দেখা যায়, গত একুশে মে বৃহস্পতিবারের শেষ ক্লাস হওয়ার পর থেকেই মূলত শিক্ষার্থীরা ছুটির আমেজে মেতে ওঠে, কারণ এর পরের দুই দিন অর্থাৎ বাইশ ও তেইশে মে যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত এই দীর্ঘ ছুটি শেষ হয়েছে গত বৃহস্পতিবার চার জুন। এরপর পাঁচ ও ছয় জুন যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবারের নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চূড়ান্তভাবে খোলার দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল রবিবার। সব মিলিয়ে হিসাব করলে দেখা যায়, সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ একনাগাড়ে দীর্ঘ ষোলো দিনের একটি বড় ও প্রাণবন্ত ছুটি উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছে।
অন্য দিকে দেশের মাদরাসা স্তরের সাধারণ ও ধর্মীয় শিক্ষার্থীরা সাধারণ স্কুল-কলেজের তুলনায় আরও অনেক বেশি দীর্ঘ সময় ধরে ছুটি কাটানোর সুযোগ পেয়েছে এবং এখনো পাচ্ছে। দেশের আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল এবং কামিল স্তরের সব মাদরাসায় গত চব্বিশে মে থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ অবকাশের সময়সীমা আগামী এগারো জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপরের দুই দিন অর্থাৎ বারো ও তেরো জুন নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি বা উইকেন্ড থাকায় সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী চৌদ্দই জুন রবিবার থেকে মাদরাসাগুলোতে পুনরায় স্বাভাবিক ক্লাস ও পরীক্ষা শুরু হবে। ফলে দেখা যাচ্ছে যে, মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা সব মিলিয়ে প্রায় তেইশ দিনের একটি বিশাল ছুটি কাটানোর চমৎকার সুযোগ পেয়েছে, যা তাদের দীর্ঘ পড়াশোনার ক্লান্তি দূর করে নতুন উদ্যমে ক্লাসে ফিরতে দারুণভাবে সাহায্য করবে। দীর্ঘ ছুটি শেষে স্কুল ও মাদরাসার এই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধুয়েমুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন