ফেসবুকে স্ট্যাটাসে জুলাই যোদ্ধাদের 'কথিত বিপ্লবী' বলে তিরস্কার করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. মীর হোসেন মিঠু। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিলেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে তিনি একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টে লেখা ছিল, 'দ্য ভূমিষ্ঠ করা শিশু চিৎকার করে জানান দেয় আমি পৃথিবীতে এসেছি, আর কথিত বিপ্লবীরা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে জানান দেয় আমি নেতা হতে এসেছি।'
এর আগে, ২০২৫ সালের জুন মাসে তার বিরুদ্ধে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সরকারি জিপ (নম্বর: ঘ-১৮-৬৩৫৯) ব্যক্তিগত বা অননুমোদিত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। ১১ জুন আমার দেশ-এ এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে সেই তদন্তের ফলাফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি কুমিল্লা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত আব্দুল মতিন খসরু, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আবুল হাসেম খান এবং সাবেক সংসদ সদস্য এম এ জাহেরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়া বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে সরকারি কর্মকর্তা হয়েও কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ জাহেরের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন তিনি। একইভাবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তানসিন বাহার সূচীর পক্ষে প্রচারণা ও বিভিন্ন সমাবেশে বক্তব্য দেন।
কুমিল্লা জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠু বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে তিনি জুলাই বিপ্লবীদের তিরস্কার করতে পারেন না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
কুমিল্লা মহানগর ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক গোলাম সামদানী বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত। যারা জুলাই আন্দোলনকে অসম্মান করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ডা. মীর হোসেন মিঠু বলেন, আমি সবাইকে বলিনি। অনেক কথিত জুলাই বিপ্লবী অহেতুক চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। তাদের উদ্দেশ্যেই ওই পোস্ট করেছি।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে স্ট্যাটাসে জুলাই যোদ্ধাদের 'কথিত বিপ্লবী' বলে তিরস্কার করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. মীর হোসেন মিঠু। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিলেন।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে তিনি একটি পোস্ট করেন। ওই পোস্টে লেখা ছিল, 'দ্য ভূমিষ্ঠ করা শিশু চিৎকার করে জানান দেয় আমি পৃথিবীতে এসেছি, আর কথিত বিপ্লবীরা অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে জানান দেয় আমি নেতা হতে এসেছি।'
এর আগে, ২০২৫ সালের জুন মাসে তার বিরুদ্ধে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সরকারি জিপ (নম্বর: ঘ-১৮-৬৩৫৯) ব্যক্তিগত বা অননুমোদিত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। ১১ জুন আমার দেশ-এ এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে সেই তদন্তের ফলাফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি কুমিল্লা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত আব্দুল মতিন খসরু, সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আবুল হাসেম খান এবং সাবেক সংসদ সদস্য এম এ জাহেরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এছাড়া বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে সরকারি কর্মকর্তা হয়েও কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ জাহেরের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন তিনি। একইভাবে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তানসিন বাহার সূচীর পক্ষে প্রচারণা ও বিভিন্ন সমাবেশে বক্তব্য দেন।
কুমিল্লা জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফখরুল ইসলাম মিঠু বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে তিনি জুলাই বিপ্লবীদের তিরস্কার করতে পারেন না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
কুমিল্লা মহানগর ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক গোলাম সামদানী বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত। যারা জুলাই আন্দোলনকে অসম্মান করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ডা. মীর হোসেন মিঠু বলেন, আমি সবাইকে বলিনি। অনেক কথিত জুলাই বিপ্লবী অহেতুক চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। তাদের উদ্দেশ্যেই ওই পোস্ট করেছি।

আপনার মতামত লিখুন